Showing posts with label বগুড়া. Show all posts
Showing posts with label বগুড়া. Show all posts

অপহরণ মামলার আসামি ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী

অপহরণ মামলার আসামি ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী

বগুড়ার ধুনট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইকবাল হোসেন রিপন নামে এক প্রার্থী। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ইকবাল হোসেন রিপন এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত প্রধান আসামি। তারপরও প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে নির্বাচনী সকল কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভরনশাহী গ্রামের মেয়ে ও বগুড়া সরকারি মজিবর রহমান মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের ওই ছাত্রীকে একই গ্রামের মৃত গোলাম রহমানের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন রিপন দীর্ঘদিন যাবত উত্ত্যাক্ত করে আসছিলেন। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা ছাড়েননি রিপন। এ অবস্থায় ২০১৮ সালের ৪ জুন রাত ৮টায় ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসেন রিপনসহ ৭-৮ জন ওই ছাত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর বাবা মাসুদ করিম লিটু বাদী হয়ে ওই রাতেই ইকবাল হোসেন রিপনকে প্রধান আসামি করে এজাহারভুক্ত চারজন এবং অজ্ঞাত আরও ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত অপর আসামি জামাল উদ্দিন ও ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করে।
অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর ২০১৮ সালের ৫ জুন ভোর ৫টার দিকে ধুনট উপজেলার চিকাশী গ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকনের বাড়ির পাশ থেকে অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন ধুনট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন কুমার কুন্ড মামলাটি তদন্ত শেষে ইকবাল হোসেন রিপনসহ চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলার অন্যান্য আসামি জামিনে মুক্ত রয়েছে। কিন্ত মামলার প্রধান আসামি ইকবাল হোসেন রিপন আজও আদালত থেকে জামিন গ্রহণ করেননি। তারপরও অপহরণ ঘটনার পর থেকে ইকবাল হোসেন রিপন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
এদিক আগামী ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইকবাল হোসেন রিপন ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া নির্বাচনী শোডাউনসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করছেন। উপজেলার সর্বত্র তার ছবি সম্বলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন রিপন বলেন, সময়ের অভাবে জামিন নিতে পারিনি। নির্বাচন শেষ হলে জামিন নিয়ে নিব।
ধুনট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, ইকবাল হোসেন রিপন একটি অপহরণ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এটা ঠিক। তবে সেই মামলায় জামিনে আছে কি-না সেটি আমার জানা নেই। থানার ওয়ারেন্ট আছে কি-না সেটিও আমি জানি না।
ধুনট উপজেলা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা বলেন, ইকবাল হোসেন রিপন পলাতক আসামি কি-না সেই তথ্য আমার জানা নেই। বিষয়টি থানা পুলিশ ভালো বলতে পারবে। তবে এ ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হবে।

লাখো শহীদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বলন

লাখো শহীদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বলন

২৫ মার্চ কালরাত্রিতে বর্বর পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদদের স্মরণে বগুড়ায় আয়োজন করা হয়েছিল ব্যতিক্রমী আলোক প্রজ্বলন। ‘লাখো শহীদের স্মরণে লাখো প্রদীপ জ্বালো’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা শহর ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের হাজারো জনতা অংশ নেয়।
বগুড়া জেলা পুলিশ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জেলার পেশাজীবী ও শ্রমজীবী সংগঠন যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় নির্ধারিত ভেন্যুতে উপস্থিত হন সবাই। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১০ মিনিট মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। শহরের মূল ভেন্যু ছিলো আলতাফুন নেছা খেলার মাঠ। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান।
বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ। শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাড়াও বগুড়া জিলা স্কুল মাঠ, সদর উপজেলা চত্বর, টিএমএসএস, শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলা চত্বর, ধুনট এনইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, সারিয়াকান্দি পাবলিক মাঠ, শিবগঞ্জ গোল চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভ, শেখ সোনাতলা শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, দুপচাঁচিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, আদমদিঘী আইপিজে স্কুল মাঠ, নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠ, কাহালু মডেল স্কুল মাঠসহ ১৪টি ভেন্যুতে একসঙ্গে লাখো প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।
পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, ১ লাখ ৩০ হাজার মোমবাতি বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, পরিবহন মালিক শ্রমিক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এদিকে একই সময় শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের গোল চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভে থানা পুলিশ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে লাখো শহীদের স্মরণে হাজারো জনতার অংশগ্রহণে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর কবির। এতে বক্তব্য দেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ সার্কেল) মশিউর রহমান মন্ডল, নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু, পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিক, শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক প্রমুখ।

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১ পিচ্ ইয়াবা উদ্ধার

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১ পিচ্ ইয়াবা উদ্ধার

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১( একান্ন) পিচ্ ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামী মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শাহানাজ@ রুনু( ৫০)স্বামী মোঃআতাউর রহমান@ হারেজ@ সাত্তার সাং ফুলবাড়ী দক্ষীন পাড়া থানা ও জেলা বগুড়া গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বগুড়া জেলা বাসি।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে  ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বগুড়া জেলা বাসি।

বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে লাখো শহীদ স্মরণে 
লাখো প্রদীপ জ্বালো অনুষ্ঠানে হাজার হাজার জনগন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি সম্মান জানায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল আইজি মোখলেছুর রহমান বিপিএম বার




স্বাধীন বাংলাদেশে শুয়ে আছে রক্তের উপরে। শুধুমাত্র সামান্য ক’টি মানুষের রক্ত নয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত নদীর ধারার উপরে। তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের উৎসর্গ পাত্রটি হৃদয়ে ধারণ করে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এর আগে আর কখনো এতো রক্তের নির্গমন দেখেনি। মানবিক ও লৌকিক বাস্তবতার এতো ত্যাগ খুব কম দেশই স্বাধীনতার জন্য বিসর্জন দিতে পেরেছে। বাংলাদেশতাই হয়ে উঠেছে মুক্তিকামী মানুষের এক বিস্ময়কর রক্তরঞ্জিত প্রত্নশক্তি। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ গড়ে তুলেছিল এই শাশ্বত সৃষ্টি, এই অমর কীর্তি। অর্জিত সে কীর্তির উপর আজ বসবাস করছে পনেরো কোটি স্বাধীন বাঙালি। সর্বসুবিধা ভোগ করছে একটি স্বাধীন দেশের। নেতানেত্রী বনে যাওয়ার, মন্ত্রী, আমলা, ডাক্তার, ব্যবসায়ী প্রকৌশলী বনে যাওয়ার অফুরন্ত সুযোগ ভোগ করছে।একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রে কাজ করার সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। একাত্তরের বাঙালি রুখে দাঁড়াতে না পারলে, এতো ত্যাগ বিসর্জন না হলে, বাঙালিদের চিরকাল পাকিস্তানি উপনিবেশিক শেকলে বন্দী থেকে ভৃত্যের মতো বসবাস করতে হতো। মুক্তিযুদ্ধের এই ত্যাগকে আজ যারা হেয় প্রচার করছে, তারাই এই রাষ্ট্রের সর্বসুবিধা ভোগের আয়াসে চেটেপুটে খাচ্ছে।পাকিস্তানিদের পদলেহনকারী এই নির্লজ্জ দালালরা লক্ষ লক্ষ বাঙালির আত্মোৎসর্গকে হাজার মানুষের হত্যাকান্ড হিসেবে কটুক্তি করে থাকে। স্বাধীনতাকে খাটো করে দেখার এই প্রবৃত্তি জন্ম নেয় একধরনের হীনমন্যতা বোধ থেকে। পাকিস্স্তানিদের দালালি করার অবৈধ ও অশ্লীল সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হওয়ার অপমান বোধ থেকে তারা এই নেতিবাচক প্রচার প্রচারণা চালাতে তৃপ্তি বোধ করে। মুষ্টিমেয় সংখ্যালঘিষ্ট এই তাহজীব তমুদ্দুনজীবী গোষ্ঠী এ ধরনের নিন্দাবাদের স্রষ্টা ও প্রচারক। যুদ্ধাপরাধ সেসময় এরাই ঘটিয়েছিল। বুদ্ধিজীবি হত্যা, ধর্মের নামে নারকীয় অত্যাচার উৎপীড়ন, খুন, জখম, রাহাজানি, ধর্ষন প্রভৃতি নারকীয় দুঃশাসনিক কর্মকান্ড এদের মাধ্যমেই বিকাশ ঘটেছিল উপনিবেশিক শাসকের নির্দেশে বা ছায়ায়। এরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়টিকেএতকাল পরে এদেশের মানুষকে বিভক্ত করার কৌশল হিসেবে প্রচার করে। যুদ্ধাপরাধ নিয়ে এদের মস্তিষ্ক প্রসূত উদ্ভাবনা যে শুধু বিকৃত চিন্তার ফসল তা কিন্তু নয়। এটা হচ্ছে অপরাধকে আড়াল করার এক ধরনের অপকৌশল। কেননা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিজেদের কৃতকর্ম তাদের আতঙ্কিত করে তুলছে। এদেশের মানুষের এই নবজাগরণ তাদের এতটাই ভীত করে তুলেছে যে,পূর্বকৃত্যের ভুলের মাশুল গোপন করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। সমাজ ও ইতিহাস সচেতন মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে বিভ্রান্ত করে তোলার জন্য তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

উপনিবার্চন ৬ নং শাখারিয়া ইউনিয়ন

উপনিবার্চন ৬ নং শাখারিয়া ইউনিয়ন

৬ নং শাখারিয়া ইউনিয়ন এর উপনিবার্চন সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমান সদর উপজেলা যুবলীগ এর সহ-সভাপতি এবং বগুড়া মহিলা কলেজের প্রভাষক,সচ্ছ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব,আমাদের সবার প্রিয়,জনাব,কামরুল হুদা উজ্জ্বল আজ তার নিজ এলাকায় গণ সংযোগ করেন 

বগুড়ায় ২৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে সম্মাননা প্রদান

বগুড়ায় ২৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে সম্মাননা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে গতকাল শনিবার সকালে পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে মাসিক কল্যাণ এবং অপরাধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ফেব্রুয়ারি মাসের কৃতকার্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৪ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও অবসর প্রস্তুতকালীন ছুটিতে যাওয়া ২ জন পুলিশ সদস্যকে বিদায়ী সম্মাননা জানানো হয়। পুলিশ সুপার,মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম-বার’র সভাপতিত্বে প্রতি মাসের মত এই মাসেও জেলা পুলিশের পক্ষে বিভিন্ন বিভাগে ১৩ জন পুলিশ সদস্যকে ক্রেস্ট এবং ১২ জন পুলিশ সদস্যকে অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এরমধ্যে সদর থানার এএসআই আব্দুস সালাম ক্রেস্ট ও অর্থ দুই পুরস্কারই অর্জন করেন। সভায় শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে পুরস্কৃত হন বগুড়া জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী এবং শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে পুরস্কৃত হন বগুড়া সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান। তিনি বগুড়া সদর থানাতে যোগদানের পর পঞ্চমবারের মত এ সন্মানা পেলেন।
এছাড়াও সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছেন ডিএসবির কন্সটেবল রুবেল ইসলাম, শেরপুর থানার এএসআই জামাল আহম্মেদ, শিবগঞ্জ থানার নারী এসআই  সারমিন আখতার, দুপচাঁচিয়া থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক, সদর ফাঁড়ির এসআই জিলালুর রহমান, টিএসআই আবুল কালাম আজাদ, সার্জেন্ট গোপাল চন্দ্র মন্ডল, ডিবির এসআই শফিউল আলম, সদর থানার এসআই নূর আলম ও ডিবির এসআই জুলহাজ উদ্দীন বিপিএম। এছাড়াও অর্থ পুরস্কার পেয়েছেন এসআই মন্তাজ আলী (ধুনট), এএসআই তাহের (সদর), এএসআই সাখাওয়াত (সদর), এএসআই মানিক (সদর), এএসআই মামুন (শিবগঞ্জ), এএসআই মোজাম্মেল (কাহালু), এএসআই আতাউর (কাহালু), এএসআই জব্বার (ধুনট), এএসআই আউয়াল (ধুনট), এএসআই রুস্তম ফারুক (আদমদীঘি) এবং এএসআই রফিক (শেরপুর)। অবসর প্রস্তুতকালীন ছুটিতে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন কন্সটেবল মিজানুর রহমান (সদর কোর্ট) এবং কন্সটেবল আফসার আলী (সাান্তাহার ফাঁড়ি)। পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম-বার। এসময় উপস্থিত ছিলেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার যথাক্রমে সফিজুল ইসলাম, আরিফুর রহমান মন্ডল বিপিএম-বার, পিপিএম, মোকবুল হোসেন এবং আব্দুল জলিল পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যথাক্রমে সনাতন চক্রবর্তী, গাজীউর রহমান, মশিউর রহমান মন্ডল, তাপস কুমার পাল, আনোয়ার হোসেন এবং আলমগীর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডা. অসীম কুমার সাহাসহ থানার অফিসার ইনচার্জগন এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারি পুলিশ সুপার কুদরত এ খুদা শুভ।

বগুড়া শেখেরকোলায় বালু উত্তোলনে বাঁধা দেওয়াই প্রতিপক্ষের মারপিটে নিহত-১, আহত- ৮

বগুড়া শেখেরকোলায় বালু উত্তোলনে বাঁধা দেওয়াই প্রতিপক্ষের মারপিটে নিহত-১, আহত- ৮
 

বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নে নদী থেকে বালু তুলতে নিষেধ করায় এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে গ্রামবাসীকে মারপিট, নিহত ১, আহত ৮।
সরে জমিনে ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নের তেলিহারা উত্তর পাড়ায় সরকারী ভাবে একটি ব্রীজ নির্মাণ কাজ চলছিল। সেখানকার বালু যোগান দেওয়ার জন্য ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য ইমদাদুল হক করতোয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন শুরু করে। উত্তোলনকৃত বালু যখন বাণিজ্যের উদ্যেশে বিক্রি শুরু করে বালুর ট্রাক নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কারণে রাস্তা নষ্ট হতে থাকলে গ্রামবাসীরা তখন বাঁধা দেয়। বাধা দেওয়াই ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাহিনী নিয়ে গ্রাম বাসীর উপর সকাল ৮ টায় হামলা চালিয়ে প্রথমে তিন জন, পরে আরও ৫ জনকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। আহতরা হলো (১) আ: রহমান,পিতা হাসান আলী, (২) শাবলু, পিতা -জাহিদুল, (৩) পরাণ, পিতা- মোসলেম উদ্দিন, (৪) শাহাদৎ, (৫) নিখিল, পিতা- হাসান, (৬) খোকন, পিতা- মোখলেছার, (৭) জাকের, পিতা- মৃত হাফিজার, (৮) শামীম পিতা মঞ্জু শাহ। সকলের সাং তেলিহারা উত্তর পাড়া, থানা ও জেলা বগুড়া। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের চিকিৎসার খরচ নিয়ে যাওয়ার পথে একই এলাকার মৃত লাল মিয়ার পুত্র রিক্সাচালক মোখলেছার রহমান (৫৫) ইমদাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় পৌছিলে ইমদাদ ও তার বাহিনীর সদস্যগণ লোহার রড দিয়ে মোখলেছারকে বেধড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে।তাকে আগাইতে আসিলে তাদেরকেও মারপিট করে। মোখলেছারকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ সংবাদ গ্রামে পৌছিলে ইমদাদ বাহিনীরা পালিয়ে যায়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন এবং আইন হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।

বগুড়ায় নকল স্বর্ণের ১২টি মূর্তিসহ গ্রেফতার-২

বগুড়ায় নকল স্বর্ণের ১২টি মূর্তিসহ গ্রেফতার-২
bangladersh

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া ডিবি’র ওসি’র দিক নির্দেশনায় ইন্সেপেক্টর খোকনের নেতৃত্বে গত ১৮ মার্চ ভোর রাতে বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার পানাই হতে এক কেজি ওজনের ১২টি নকল গণেশ মূর্তি সহ পানাই এলাকা হতে ছালেহা খাতুন (৪০) আব্দুর রহিম (৩০) নামক ২ প্রতারককে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার কৃত ছালেহা খাতুন কাহালু উপজেলার পানাই গ্রামের মনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ও আব্দুর রহিম জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ঝাঝিড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে বলে জানাগেছে। ফেণী জেলার ফুলগাজী উপজেলার হাসানপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে আমির হোসেনকে স্বর্ণের মূর্তি দেওয়ার কথা বলে ডেকে এনে তার নিকট হতে ৫০ হাজার টাকা বায়না নিয়ে ১ কেজি ওজনের ১২ টি স্বর্ণের গণেশ মূর্তি দেয়। মূর্তি গুলো নিয়ে সে বগুড়া স্বর্ণকারের দোকানে দেখালে তারা মূর্তিগুলো পিতলের বলে জানান। 

এসময় আমির হোসেন পিতলের মূর্তি সহ বগুড়া ডিবি পুলিশের নিকট হাজির হয়ে বিষয়টি অবগত করালে ডিপি’র ওসি আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় ডিবি পুলিশ অভিয়ান চালিয়ে প্রতারক চক্রের ১ মহিলা সহ ২ সদস্যকে গ্রেফতার করে। 

এব্যপারে আমির হোসেন বাদী হয়ে প্রতারক চক্রের ৮ সদস্যের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জনকে আসামী করে কাহালু থানায় একটি প্রতারণা মামলা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানাগেছে।

বগুড়া র‌্যাবের অভিযানে ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

বগুড়া র‌্যাবের অভিযানে ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার


র‌্যাব-১২, বগুড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সদর থানাধীন হাড্ডিপট্টি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক দ্রব্যসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। র‌্যাব সূত্র জানায় ০৯ মার্চ ২০১৬ ইং তারিখ বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত উক্ত অভিযানে নেশা জাতীয় ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হল ১। মোঃ আলামিন(২২) ধুনট থানাধীন চরধুনট গ্রামের মৃত ভুলু মন্ডল এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল(২৫) শিবগঞ্জ থানাধীন জুড়িমাছ পাড়া গ্রামের  বুলু শেখ এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে বগুড়া জেলার সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় দীর্ঘ দিন যাবৎ বগুড়া জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছিল বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়।

বগুড়া জেলা ব্যাটারী ও সিএনজি চালিত ইজি বাইক মালিক সমন্বয় কমিটির এক জরুরী সভা

বগুড়া জেলা ব্যাটারী ও সিএনজি চালিত ইজি বাইক মালিক সমন্বয় কমিটির এক জরুরী সভা


বগুড়া জেলা ব্যাটারী ও সিএনজি চালিত ইজি বাইক মালিক সমন্বয় কমিটির এক জরুরী সভা রবিবার বেলা ১২ টায় সাতমাথাস্থ সমিতি কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইজি বাইক মালিক সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক মাইসুল তোফায়েল কোয়েল। জরুরী সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ৪ মার্চ থেকে বগুড়ার শেরপুর রোডে চলাচলকৃত ইজি বাইকগুলো পি,টি,আই মোড় পর্যন্ত, মাটিডালি রোডে চলাচলকৃত ইজি বাইকগুলো কালিতলা পর্যন্ত, গোহাইল রোডে চলাচলকৃত ইজিবাইকগুলো খান্দার পর্যন্ত, চেলোপাড়া রোডে চলাচলকৃত ইজিবাইকগুলো সারিয়াকান্দি বাস ষ্ট্যান্ড পর্যন্ত, গোলাবাড়ি রোডে চলাচলকৃত ইজিবাইকগুলো কৃষি ফার্ম পর্যন্ত চলাচলের জন্য বগুড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়। হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারনে উল্লেখিত সড়ক দিয়ে বগুড়া শহরের যাতায়াতকৃত সাধারণ জনগণ চরম দূর্ভোগে পরেছে। কারন, এই সব সড়ক দিয়ে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রী, চাকুরীজীবি সহ সাধারণ জনগণ অত্যান্ত কম খরচে ইজিবাইকে চলাচল করত। বর্তমানে তাদেরকে ২-৩ গুন বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে পাশাপাশি সময়ের অপচয় হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বগুড়ার বেকার যুব সমাজে বড় একটি অংশ এই কর্মের সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে এই ইজিবাইকগুলো বগুড়া শহরে অত্যান্ত নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃংখল ভাবে চলাচল করতো। এক ধরণের ষড়যন্তকারী মহল প্রশাসনকে ভূল বুঝিয়ে তাদেরকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে প্রশাসন কর্তৃক এ ধরনে হঠকারী সিদ্ধান্ত বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, পূর্বের অবস্থান থেকে ইজিবাইকগুলো চলাচলের অনুমতি না দিলে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত সকল মালিক ও শ্রমিকদের সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। উক্ত জরুরী সভায় বক্তব্য রাখেন, মালিক সমন্বয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাতমাথা মালিক সমিতির আহ্বায়ক লুৎফুল বারি বাবু, সমন্বয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাপ্পী, ফজলে রাব্বি মিথুন, রনি চন্দ্র রায়, দত্তবাড়ী মালিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রহমাতুল ইসলাম মনির, শ্রমিক চালক কল্যাণ সমিতির সভাপতি শহিদ হোসেন পাশা, মহিদুল হাসান পলাশ, সারোয়ার আহম্মেদ রাহাত, সাব্বির আলম প্রমুখ। এ ছাড়াও চেলোপাড়া, গোলাবাড়ি রোড, গোহাইল রোড মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া বাসীকে নিয়ে আবার কোন নাটক রচনা করতে চায় সরকার এর গুন্ডা বাহিনী

বগুড়া বাসীকে নিয়ে আবার কোন নাটক রচনা করতে চায় সরকার এর গুন্ডা বাহিনী

বগুড়ায় সরকারবিরোধী 10 হাজার বই ও একটি মাইক্রোবাসসহ জামায়াতের দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বইগুলো বগুড়ার একটি প্রেসে ছাপানোর পর মাইক্রোবাস যোগে নওগাঁয় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
 
রবিবার বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া সদর থানা পুলিশ শহরের সান্তাহার সড়কের নিশিন্দারা কারবালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বইগুলো আটক করে। গ্রেফতার দুই জামায়াত কর্মী হচ্ছেন নওগাঁ শহরের গোলাম মোস্তফা (৪০) ও রকিবুল ইসলাম (৩০)।

পুলিশ জানায়, নিশিন্দারা কারবালা এলাকায় মা প্রিন্টার্স নামের একটি প্রেস থেকে বইগুলো নওগাঁ নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাদা রঙয়ের একটি মাইক্রোবাসে উঠানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে মাইক্রোবাসসহ বইগুলো আটক করে। এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা জামায়াত কর্মী গোলাম মোস্তফা ও রকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মা প্রির্ন্টাস নামের প্রেসে তল্লাশী চালিয়ে কম্পিউটার ছাড়াও বিভিন্ন মালামাল আটক করা হয়। আটক বইগুলোর শিরোনামে লেখা রয়েছে রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার আলী আহসান মুজাহিদ।

বগুড়া সদর থানার ওসি আবুল বাশার জানান, বইগুলো বগুড়ায় ছাপানোর পর নওগাঁয় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বইগুলোতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা এবং সরকার বিরোধী বক্তব্য ছাপানো হয়েছে।

সংসার বাঁচাতে সোহেলী মাহমুদের আওয়ামী লীগেযোগদান!

সংসার বাঁচাতে সোহেলী মাহমুদের আওয়ামী লীগেযোগদান!


সংসার বাঁচাতে সোহেলী মাহমুদের আওয়ামী লীগে
যোগদান!
=========================================
স্বামী আওয়ামী লীগের নেতা, স্ত্রী বিএনপি করে তাই
সংসার ভেংগে যায়! একটি সন্তান নিয়ে বিএনপি’র
রাজনীতির সাথে মানিয়ে চলছিলো, কিন্তু স্বামী সরকারী
দলের নেতা হওয়ায় আবারো বাধ্য করলো সংসার করাতে
এবং নিজের দলে যোগদান করাতে, এটাই সত্য ঘটনা।
আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনীতি করি তাই কারো ঘর-
সংসার ভাংগা বা ধ্বংস করা জিয়ার আদর্শের সৈনিকদের
কাজ নয়। সেকারনে জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল, বগুড়া জেলা
শাখার আহবায়ক সোহেলী মাহমুদ’কে বন্ধু দলের আহবায়ক সহ
সকল দ্বায়ীত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয় গত এক মাস আগে,
তার অনুরোধে তাকে আমরা অব্যহতি দেই এবং বিষয়টি গোপন
রাখার অনুরোধ করায় আমরা তা এতদিন প্রকাশ করিনি। তার
এভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার কথা ছিল না, তাই
যেহেতু সে প্রকাশ্যে যোগদান করেছে তাই আমরাও বিষয়টি
জাতীয়তাবাদী বন্ধু দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, ফেজবুক
বন্ধু এবং বিএনপি ও এর সকল অংগ ও সহযোগী সংগঠনের
নেতা-কর্মী সমর্থকদেরকে অবহিত করে তার সাথে দলের
সকলকে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করার অনুরোধ করছি। তাকে
দল থেকে বিদায় দেওয়া হইলো.............


এক নজরে মিশা সওদাগর

এক নজরে মিশা সওদাগর

মিশা সওদাগর একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি
প্রথম দিকে নায়ক চরিত্র অভিনয় করলেও
পরবর্তিতে খলনায়ক হিসেবে প্রচুর সুনাম
অর্জন করেন। তিনি চার শতাধিক সিনেমাতে
অভিনয় করেছেন।
চলচ্চিত্রে আগমন
অভিনয় জীবনের শুরু ১৯৮৬ সালে।
প্রথমে ‘চেতনা’,ও ‘অমরসঙ্গী’ ছবি
দুটোতে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন।
তখন গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছেন মাত্র।
নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে গ্রহণযোগ্যতা না
পেয়ে কয়েকজন খ্যাতিমান পরিচালকের
পরামর্শে ইয়াং ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় শুরু
করেন। ১৯৯৪ সালে ‘যাচ্ছে ভালবাসা’ নামক
ছবিতে প্রথম ভিলেনের চরিত্রে অভিনয়
করেন।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
মিশা সওদাগর চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয়
করেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
হলো
→চেতনা
→শেষ ঠিকানা
→শেষ চিঠি
→আন্ধ বিশ্বাস
→ফুল নেব না অশ্রু নেব
→ও প্রিয়া তুমি কোথায়
→বিয়ের ফুল
→হট লাইন
→ঢাকাইয়া মাস্তান
→অল্প স্বল্প প্রেমের গল্প
→এক টাকার বউ
→কোটি টাকার কাবিন
→কোটি টাকার প্রেম
পুরস্কার ও সম্মাননা
মিশা সওদাগর মেরিল প্রথম আলো ও
চলচ্চিত্র শিল্প সমিতি পুরস্কার সহ অসংখ্য
পুরস্কার, সম্মাননা পেয়েছেন।

শুরু হয়েছে মিষ্টি সোহমের ‘আমার প্রেম তুমি’।

 শুরু হয়েছে মিষ্টি সোহমের ‘আমার প্রেম তুমি’।

থাইল্যান্ডে শুরু হয়েছে সজল আহমেদ পরিচালিত মিষ্টি জান্নাত এবং পশ্চিম বঙ্গের অভিনেতা সোহম জুটির ‘আমার
প্রেম তুমি’ ছবির শুটিং।
সিনেমাটির প্রথম পর্যায়ের শুটিং চলবে ১৬ জুন
পর্যন্ত। ব্যাংককের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং
হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের শুটিং হবে কলকাতার
বিভিন্ন লোকেশনে। তবে এখনো তার দিন-
তারিখ ঠিক হয়নি।
নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, এ সিনেমার নাম
প্রথমে ঠিক করা হয় ‘ভালোবেসে ছুঁয়ে
দিলাম’। পরে তা পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘আমার
প্রেম তুমি’।
‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘বাঙালি বাবু ইংলিশ
মেম’, ‘লাভেরিয়া’, ‘প্রেম আমার’, ‘অমানুষ’সহ
জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন সোহম।
এদিকে, মিষ্টি জান্নাত ২০১৪ সালের মাঝামাঝি ‘লাভ
স্টেশন’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু
করেন। এর পর জান্নাত অভিনীত ‘চিনি বিবি’ ছবিটি
মুক্তি পায় কিছুদিন আগে।

কলকাতার ছবিতে সোহানা সাবা

 কলকাতার ছবিতে সোহানা সাবা

জনপ্রিয়
অভিনেত্রী সোহানা সাবা এবার
কলকাতার একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন
তিনি। অয়ন চক্রবর্তীর পরিচালনায়
ছবিটির নাম ষড়ঋপু। রোমান্টিক
থ্রিলারে ভরা এই ছবিতে সাবার সহ
শিল্পীরা হলেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত,
চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও রজতাভ দত্ত।
ছবিটিতে আরও অভিনয়ে রয়েছেন
রুদ্রনীল ঘোষ, রায়েশ শর্মা,
সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও
কনিনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। গেল ২৬
ফেব্রুয়ারি প্রেস কনফারেন্স
হয়েছে ছবিটির।
বর্তমানে সোহানা সাবা কলকাতায়
রয়েছেন। এ
সম্পর্কে সোহানা সাবা বললেন, ষড়ঋপু
আমার অভিনীত প্রথম আন্তর্জাতিক
চলচ্চিত্র। অনেক গুণী শিল্পীর
সাথে কাজ করতে পারছি। এটি আমার
জন্য অনেক বড় একটি পাওয়া।
আশা করছি সুন্দর একটি ছবি উপহার
দিতে পারবো। আগামী ২ মার্চ
থেকে ছবির শুটিং শুরু
হবে বলে জানা গেছে।

আসছে ‘ধুম-ফোর’

 আসছে ‘ধুম-ফোর’

আবারো নির্মিত হতে যাচ্ছে বলিউড ব্লকবাস্টার ছবি
ধুম এর সিক্যুয়েল।  তবে কারা থাকছেন এই ছবি ছবিতে সেই
হিসেব-নিকেষেই ব্যস্ত এখন বলিউডপাড়া।
যশরাজ ফিল্মসের অ্যাকশন সিনেমা ‘ধুম’ মুক্তি পায়
২০০৪ সালে। রাতারাতি ছবিটি ধুম ফেলে
বক্সঅফিসেও। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৬ ও ২০১৩
সালে নির্মিত হয় ছবির আরো দুটি কিস্তি-‘ধুম টু’ ও ‘ধুম
থ্রি’। এবার তোড়জোড় শুরু হয়েছে ‘ধুম ফোর’
নির্মাণের।
এর আগের তিনটি ছবির প্রত্যেকটিতেই জয়
দীক্ষিত ও আলীর চরিত্রে দেখা গেছে
অভিষেক বচ্চন ও উদয় চোপড়াকে। শুধু ভিলেন
চরিত্রটিতেই ঘটেছে বদল। আর এই চরিত্রে
দর্শকদের চমক দেখিয়েছেন জন আব্রাহাম,
হৃত্বিক রোশন ও আমির খান।
তাইতো এবার খলনায়ক হিসেবে দেখা যাবে কাকে
তা নিয়েই চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এর আগে
শোনা গেছে শাহরুখ ও সালমান খানের নাম।
পরবর্তীতে গুঞ্জন ওঠে হৃত্বিকই ফিরছেন
ভিলেন হয়ে। কিন্তু সম্প্রতি যশরাজ ফিল্মস ঘোষণা
দিয়েছে ছবির মূল আকর্ষণ ঐ চরিত্রটিতে ঘটছে
না কোনো পুনরাবৃত্তি। তাইতো নিয়ম মেনে
এবারও যুক্ত হচ্ছেন নতুন তারকাই। চতুর্থ কিস্তিতে
দেখা যাবে হালের দুই জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর
কাপুর কিংবা রণভির সিংকেই– তৈরি হয়েছে এমন
সম্ভাবনাও।

করি নিয়ে গেছেন ২৯৮ জন হংকংয়ে চাকরির স্বপ্ন পূরণে বগুড়ায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৫৪ নারী

করি নিয়ে গেছেন ২৯৮ জন হংকংয়ে চাকরির স্বপ্ন পূরণে বগুড়ায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৫৪ নারী

নিজের জীবনের পুনরাবৃত্তি মেয়ের জীবনে দেখতে চান না মেরিনা। তাই চোখে-মুখে একরাশ স্বপ্ন আর বুক ভরা আশা নিয়ে পাড়ি জমাতে চান মুক্তবন্দর ও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাণিজ্যের শহর হংকং এ। দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে মেরিনার বিয়ে হয়েছিল খুব অল্প বয়সেই। তখনও স্কুলের গন্ডি শেষ হয়নি। কিশোরী শরীরেই লাল বেনারসী জড়িয়ে বাবা-মা পাঠিয়েছিলেন শ্বশুর বাড়িতে। ওই কিশোরী বয়সেই পর-পর দুটি সন্তানের মা হন মেরিনা। সন্তান দুটো একটু বড় না হতেই তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। হঠাৎই স্বামী তার অনুমতি না নিয়ে আর একটি বিয়ে করে ঘরে নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ঘরে আসার পর শুরু হয় মেরিনার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বাধ্য হয়ে সে স্বামীর ঘর ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে আসেন। শুরু হয় জীবনের আরেক অধ্যায়। আর্থিক কষ্টে ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া যখন বন্ধের উপক্রম, সেই সময় হংকং-এ চাকরিরত এক বান্ধবীর চিঠিতে জানতে পারেন, বাংলাদেশ থেকে চাকরি নিয়ে অনেক নারী শ্রমিক হংকং যাচ্ছে। এজন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণে কোথায় কীভাবে সুযোগ পাওয়া যাবে, চিঠিতে সে বিষয়টিও ছিল। এরপরই হংকং-এ চাকরি পাওয়ার আশায় ঢাকায় জব ফেয়ারে অংশগ্রহণ করেন মেরিনা। সেখানে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হওয়ার পর মেরিনাকে বগুড়া কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) তে প্রেরণ করা হয় দুই মাস মেয়াদী 'ইন হাউস ট্রেনিং'র জন্য। আর মাত্র পনের দিন পরই শেষ হয়ে যাবে মেরিনার ট্রেনিং। এরই মধ্যে পাসপোর্ট ও ভিসা হয়ে গিয়েছে। এখন তার একটিই স্বপ্ন ছেলে-মেয়েকে উচ্চ শিক্ষিত করে মানুষের মত মানুষ করা। বিশেষত মেয়েকে। মেরিনা বলেন, আমার মেয়ের লেখাপড়ার খুব শখ। মাথাও ভাল। ৮ম শ্রেণীতে পড়ছে। ক্লাসে সে প্রথম। তাই মেয়েকে নিয়েই বেশি স্বপ্ন দেখছি। প্রায় একই রকম গল্প তানিয়া আকতার সুবর্ণার। মেরিনার থেকেও কম বয়সে বিয়ের পিড়িতে বসতে হয়েছিল মাদারীপুরের সুবর্ণার। পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ শেষ না হতেই বর্গাচাষী বাবা সুবর্ণাকে পাশের গ্রামের এক জাল বিক্রেতার সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন না যেতেই তার স্বামী আরেকটি বিয়ে করেন। তারপরও সবকিছু সহ্য করে স্বামীর সংসার করছিলেন সুবর্ণা। এরই মধ্যে তার কোলজুড়ে আসে দুটি পুত্র সন্তান। কিন্তু স্বামীর স্বভাবের পরিবর্তন হয়নি। একের পর এক বিয়ে করতে থাকে। এক পর্যায়ে সন্তানসহ সুবর্ণা ওই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। বাপের বাড়িতে খুব কষ্টে যখন দিন পার করছিলেন, তখন একদিন এক বোনের সহযোগিতায় হংকং এ চাকরি নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) তে 'ইন হাউস' প্রশিক্ষণের জন্য অংশগ্রহণ করেন। হংকং-এ মহিলা গৃহকর্মী প্রেরণের জন্য বগুড়া টিটিসিতে 'হাউসকিপিং এন্ড ক্যানটনস্ ল্যাংগুয়েজ' বিষয়ে 'ইন হাউস ট্রেনিং' চলছে। বগুড়া টিটিসি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং হংকংয়ের সিটি এমপ্লয়মেন্ট প্যারাডাইস হংস এবং হুয়ার ফাই (এইচকে) এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি'র সহায়তায় বগুড়াসহ দেশের ৬টি জেলার টিটিসিতে ২০১৩ সালের ১৭ আগস্ট থেকে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। দুই মাস মেয়াদী এই প্রশিক্ষণে হংকং'র ভাষা, কম্পিউটার, রান্না, আচরণ এবং শিশু ও বৃদ্ধদের পরিচর্যার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের নির্বাচন করা হয় জব ফেয়ারের মাধ্যমে। জব ফেয়ারে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে নূ্যনতম অষ্টম শ্রেণী পাশ এবং বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৩৮ বছর। প্রশিক্ষণ শেষে ওই দুটি এজেন্সি ৪০ হাজার টাকা বেতন ধার্য করে দুই বছরের চুক্তিতে হংকংয়ে নারী শ্রমিক প্রেরণ করে।
সূত্র জানায়, ফেয়ারে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিতে হয় মেডিকেল চেকআপের জন্য। মেডিকেল চেকআপের পর পাসপোর্ট নিজ খরচে করে ভিসার জন্য দুই দফায় ২০ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। প্রথম দফায় ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হয়। প্রশিক্ষণের ৫ দিন পর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্লাসের ভিডিও করে ওই দুটি রিক্রুটিং এজেন্সির অনলাইনে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে চাকরিদাতা বিভিন্ন সংস্থা পছন্দের নারী কর্মীকে চিহ্নিত করে রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে আবেদন করে। তখন থেকেই ওই কর্মীর হংকং যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বগুড়া টিটিসি'র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান বলেন, টিটিসি থেকে প্রশিক্ষণের পর চাকরি নিশ্চিত করেই এই নারীদের হংকং প্রেরণ করা হচ্ছে। এই নারী কর্মী পাঠাতে ভিসা ও স্মার্ট কাটসহ খরচ পড়ছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এই টাকা প্রশিক্ষণার্থীদেরই দিতে হচ্ছে। যারা নগদ টাকা দিতে পারেন না তারা ক্যাম্পাসের ভিতর থাকা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ১লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ নিতে পারেন। সরল সুদে এই ঋণ দেওয়া হয়। হংকং যাওয়ার পর ৬ মাসে তাদের বেতন থেকে ওই ঋণ শোধ করা হয়। 
মিজানুর রহমান আরও জানান, মোট ৮ জন প্রশিক্ষক এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশের চারজন এবং বিদেশী চারজন। টিম লিডার হিসেবে প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছেন হংকং'এর হেড অফ দি রিপ্রেজেন্টেটিভ ভেনি। হেড অফ দি রিপ্রেজেন্টেটিভ ভেনি জানান, বগুড়া ছাড়াও ঢাকার কেরানীগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লায় এই ট্রেনিং চলছে। প্রতিমাসেই হংকং'র ওই দুটি এজেন্সির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জোজো এবং মিস ক্রিস ট্রেনিং সেন্টারগুলো পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের খোঁজ খবর নেন। টিটিসি'র হোস্টেল সুপারিনটেনডেন্ট রিয়াজ আহমেদ জানান, সরকারের ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের সঙ্গে হংকংয়ের সিটি এমপ্লয়মেন্ট প্যারাডাইস হংস এবং হুয়ার ফাই (এইচকে) এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি'র চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর ২০১৩ সালের ১৭ আগস্ট বগুড়ায় এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ২শ' আসন বিশিষ্ট এই প্রশিক্ষণে এ পর্যন্ত ৫৪৭ জন ট্রেনিং নিয়েছে। এরমধ্যে চাকরি নিয়ে হংকং গিয়েছেন ২৯৮ জন। প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন আরও ২০ জন। বর্তমানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৫৪ জন। তিনি আরও জানান বিভিন্ন জেলায় জব ফেয়ারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হলেও স্থানীয়রা সরাসরি ওই কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিয়ে প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত হতে পারেন। আগামি ৯ জুন সাতক্ষীরায়, ১০ জুন যশোর এবং ১৪ জুন ঢাকায় জব ফেয়ারের মাধ্যমে যেসব নারী নির্বাচিত হবেন, তাদেরকে বগুড়ার এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আনা হবে বলেও তিনি বলেন।

মহাস্থানগড়কে আর্ট কালচার সিটি ঘোষণা করা হবে

মহাস্থানগড়কে আর্ট কালচার সিটি ঘোষণা করা হবে

বগুড়া: সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, ‘আগামী সার্ক সাংস্কৃতিক বছরে বগুড়ার একটি অঞ্চলকে আর্ট কালচার সিটি ঘোষণা করা হবে। এই সিটি হিসেবে মহাস্থানগড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।’
বুধবার দুপুরে বগুড়ায় বিশ্ব ঐতিহ্যে (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্থান পেতে মনোনয়নপত্র দাখিল বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বুধবার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী এই কর্মশালার সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কৃতি যখন জীবনের সঙ্গে মিলবে তখন তা নদীর মতো প্রবাহিত হবে। বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ, আমরা এদেশের মানুষের সুন্দর জীবনযাপন দেখতে চাই। এ কারণে যথাসাধ্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শিরিন আক্তারের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনিস্কোর (বিএনসিইউ) সচিব মনজুর হোসাইন ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক শফিকুর রেজা বিশ্বাস।
কর্মশালায় বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৫ জন অংশগ্রহণ করেন। এতে চীন ও কোরিয়ার প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞগণ অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী কর্মশালায় অংশগ্রহকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। পরে বিকেলে তিনি বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

নাটোরে ২৫ জোড়া বর-কনের যৌতুকবিহীন গণবিয়ে

নাটোরে ২৫ জোড়া বর-কনের যৌতুকবিহীন গণবিয়ে

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খামার পাথুরিয়া খাদিজাতুল কুব্রা (রাঃ) মাদ্রাসায় গতকাল মঙ্গলবার ২৫ জোড়া দম্পতির যৌতুকবিহীন গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে ও কুয়েত জয়েন্ট রিলিফ কমিটির বাস্তবায়নে জাঁকজমকপূর্ণভাবে ওই গণবিয়েতে প্রত্যেক নবদম্পতিকে আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১টি সেলাই মেশিন, ১টি ভ্যান-রিকশা, লেপ-তোশক, বিয়ের পোশাক ও সংসারের প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী থালাবাসন, ব্যবহারিক আসবাবপত্র, সোনার নাকফুল প্রভৃতি বিয়ের উপঢৌকন হিসেবে প্রদান করা হয়। যৌতুকবিহীন গণবিয়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুয়েত জয়েন্ট রিলিফ কমিটির মহাপরিচালক ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, গুরুদাসপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও (সহকারী কমিশনার ভূমি) মোবারক পারভেজ, মাদ্রাসার মুহতামিম সিহাব উদ্দিন, শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি আহমেদ মাজেদ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মোল্লা, সিনিয়র সাংবাদিক নবীউর রহমান পিপলু, মাহফুজ আলম মুনি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বর-কনের স্বজনসহ কয়েকশ' নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। 
বিয়ের আসরে বসা মাদ্রাসার গাড়ি চালক আল আমিন জানান, তিনি একসাথে যৌতুকবিহীন গণবিয়ের আসরে শরিক হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন। তার নববিবাহিত স্ত্রী শারমিন একজন এতিম। বাবা-মা অনেক আগেই মারা গেছেন। মামার বাড়িতে বড় হয়েছে। একটি এতিম মেয়েকে বিয়ে করে যৌতুকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পারায় তিনি খুশি। আয়োজক প্রতিষ্ঠান খামার পাথুরিয়া খাদিজাতুল কুব্রা (রাঃ) মাদ্রাসার মুহতামিম সিহাব উদ্দিন জানান, ইতিপূর্বে এই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ৪ দফায় যৌতুকবিহীন ১৩৫টি গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। 
বাল্যবিয়ে রোধসহ যৌতুকের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বাড়াতে এবং যৌতুকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে গত কয়েক বছর ধরে এই গণবিয়ের আয়োজন করা হচ্ছে। 
গতকাল মঙ্গলবার এই গণবিয়েতে স্থানীয় বেশ ক'জন কাজী ৮০ হাজার টাকা মোহরানায় ২৫ জোড়া বর-কনের রেজিস্ট্রি বিয়ে পড়ান। বিয়ে শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করানো হয়। পরে বর-কনেদের নিয়ে স্বজনরা বাড়ি ফিরে যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও (সহকারী কমিশনার ভূমি) মোবারক পারভেজ জানান, যৌতুক এবং বাল্যবিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি অভিশাপ। যে প্রতিষ্ঠানটি এই মহতি উদ্যোগের মাধ্যমে অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, তা দেশের জন্য বিরল ঘটনা। জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সাথে দেশের সকল স্তরের মানুষ এ ধরনের উদ্যোগ নিলে সমাজে বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথার বিলুপ্ত ঘটবে।