এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। প্রায় আধাঘণ্টা পরই তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ভবনে অবস্থানরতরা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এলিফ্যান্ট রোডের ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই ভবনে অবস্থানরতদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আট, আহত ৪৫

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আট, আহত ৪৫

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মাহফিলের যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে সাতজনের মুত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪৫ জন যাত্রী।
অপরদিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম বাবনাতলা নামক স্থানে একই দিন বেলা ১২ টার দিকে ট্রাক ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে অপর একজন মারা গেছেন।
নিহতরা হলেন, হাবিব হাওলাদার (৫০), আব্বাস খান (৩২), হাসিয়া বেগম (৫৫), হাসান (১৪), আক্কাস (৪০), নয়ন (২৭), সায়েম (২৫)। তাদের সবার বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলা ও কালকিনি উপজেলার ভাঙ্গাব্রিজ, পান্তাপাড়া, খৈয়রভাঙ্গা এলাকায়। অপরদিকে রাজৈরের মোটর সাইকেলে দুর্ঘটনায় নিহতের নাম নাঈম বেপারী (২৫)।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের চন্দ্রপাড়া মাহফিলে অংশ নেয়ার জন্য মঙ্গলবার বাড়ি থেকে চন্দ্রপাড়া যান মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার সকালে মাহফিল শেষে চন্দ্রপাড়া থেকে মাদারীপুর কালকিনির ভাঙ্গাবীজ এলাকায় সুবিন-নবীন নামের একটি লোকালবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন তারা।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সাইট দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বাসটি। 
এ সময় ঘটনাস্থলে চারজন মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পরে মারা যান আরো তিন জন। এ ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী। খবর পেয়ে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহত ও নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভীড় করে এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।  মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খানসহ স্থানীয় নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তারা নিহত ও আহতদের আত্মীয়-স্বজনদের সান্তনা দিয়ে শোক প্রকাশ করেন।
হাসপাতালে আসা নিহতের এক স্বজন বলেন, শুনেছি আমার ভাই মারা গেছে। তাই হাসপাতালে এসেছি। আনন্দ করতে করতে আমার ভাই চন্দ্রপাড়ায় পীরের বাড়ি গেল। আর ফিরল লাশ হয়ে। এই শোক কীভাবে সহ্য করব।
হাসপাতালে আসা স্থানীয় সুমন হোসেন, স্বপন মাহমুদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক সাথে এতগুলো লাশ দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালাদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হলেও এর সংখ্যা বাড়তে পারে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক অখিল সরকার বলেন, দুর্ঘটনায় এই পর্যন্ত সাতজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৪৫ জনের মতো। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। আমরা আহতদের যথাসাধ্য চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। গুরুতর বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 
অপরদিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম বাবনাতলা নামক স্থানে বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে ট্রাক ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাঈম বেপারী মারা যান। নাঈম মাদারীপুর শহরের বাগেরপাড় এলাকার ইব্রাহিম বেপারীর ছেলে এবং মাদারীপুর বিকাশের এসআর ছিলেন। 
সকালে বিকাশের কাজের জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে মাদারীপুর থেকে টেকেরহাট যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পরে স্থানীয় লোকজন নাঈমকে উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

পোড়া ভবন থেকে বের করা হচ্ছে একের পর এক লাশ

 পোড়া ভবন থেকে বের করা হচ্ছে একের পর এক লাশ

বনানীর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত আটটা পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। আর আহতের সংখ্যা ৭০ জন বলে জানা গেছে।

ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ারে লাগা ওই অগ্নিকাণ্ড সন্ধ্যার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। এর পর ভবনটির বিভিন্ন ফ্লোরে প্রবেশ করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আর এতেই বের হতে থাকে একের পর লাশ।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থাপিত ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে রাত আটটার দিকে নিহতের সংখ্যা ১৯ ও আহতের সংখ্যা ৭০ বলে জানিয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরমান আলীর বক্তব্য থেকে নিহতদের মধ্যে সাতজনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন, পারভেজ সাজ্জাদ (৪৭), আমেনা ইয়াসমিন (৪০), মামুন (৩৬), শ্রীলঙ্কার নাগরিক নিরস চন্দ্র, আবদুল্লাহ আল ফারুক (৩২), মাকসুদুর (৬৬) ও মনির (৫০)।
পুলিশ সূত্রে থেকে জানানো গেছে, আমেনা মারা গেছেন অ্যাপোলো হাসপাতালে। পারভেজ সাজ্জাদ বনানী ক্লিনিকে, নিরস চন্দ্র কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এবং মামুন, মাকসুদুর ও মনির ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন আবদুল্লাহ আল ফারুক।

সাড়ে আট কোটির বোলার প্রথম ওভারেই দিলেন ২৫ রান

সাড়ে আট কোটির বোলার প্রথম ওভারেই দিলেন ২৫ রান

অফ স্পিন, লেগ ব্রেক, গুগলি, ক্যারাম বল, ফ্লিপার, টপ স্পিন এবং ব্যাটসম্যানের পায়ের পাতা লক্ষ্য করে দেয়া স্লাইডার আর্ম ইয়র্ক- এই সাত ধরনের বোলিং নিয়ে আইপিএলের নিলামে সাড়ে আট কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছিলেন তামিলনাড়ুর অনভিষিক্ত খেলোয়াড় বরুন চক্রবর্তী।

কিন্তু মূল আসরে নিজের অভিষেক ম্যাচে এত চড়া দামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি ২৭ বছর বয়সী এ রহস্য স্পিনার। বুধবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনে নিজের প্রথম ওভারে খরচ করেছেন ২৫ রান। কলকাতার ক্যারিবীয় তারকা সুনিল নারিনের কাছে আইপিএল তথা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের প্রথম ওভারেই হজম করেছেন ৩টি ছক্কা ও ১টি চার।

এক ওভারে করতে হয় ছয় বল, কিন্তু বরুনের হাতে রয়েছে সাতটি ভ্যারিয়েশন। ফলে নিলামের সময় তাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায় আইপিএলের প্রায় প্রতিটি ফ্রাঞ্চাইজির মধ্যে। কলকাতা নাইট রাইডার্সই প্রথম বরুনকে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু তাকে ছাড়তে রাজি নয় অন্য কোনো ফ্রাঞ্চাইজিও।

একে একে তাই বরুনকে নেয়ার দৌড়ে যোগ দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস, চেন্নাই সুপার কিংস, কিংস ইলেভেন পঞ্জাব, রাজস্থান রয়্যালস। শেষ পর্যন্ত ৮.৪০ কোটি রুপিতে তাকে দলে ভেড়ায় প্রীতি জিনতার দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

ফলে সাত ভ্যারিয়েশনের প্রতিটির মূল্যই ছাড়িয়ে ১ কোটি রুপির উপরে। নিজের বেজ প্রাইস থেকে ৪২ গুণ বেশিতে বিক্রয় হওয়া বিস্ময়কর এই স্পিনারকে নিয়ে পুরো ভারতে সরগরম লেগে যায়। ভারতের হয়ে তো কখনো খেলার কথাই নেই। ঘরোয়া ক্রিকেটেও খুব একটা নামি-দামি ক্রিকেটার ছিলেন না তিনি।

কিন্তু আইপিএল নিলামে হঠাৎ তামিলনাডুর স্পিনারের এমন চড়া মূল্যে বিকোনো নিয়েই তাই তোলপাড় উঠে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সবাই। কারণ, নামটাই যে অধিকাংশের কাছে অজানা! তাই সবার আগ্রহে ছিলো বরুনের প্রথম ম্যাচকে ঘিরে।

আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে বরুন চক্রবর্তীকে একাদশে নেয়নি পাঞ্জাব। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই কলকাতার বিপক্ষেই সুযোগ পান বরুন, যারা কি-না নিলামে প্রথম আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বরুনের ব্যাপারে। কিন্তু এ দলের বিপক্ষে অভিষেক ওভার বা ম্যাচ কোনোটাই সুখকর হয়নি বরুনের।

ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব। দ্বিতীয় ওভারেই রহস্য স্পিনার বরুনকে ডেকে নেন অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে সুনিল নারিনকে স্ট্রাইক দেন ক্রিস লিন। মুখোমুখি প্রথম বলেই বরুনকে উড়িয়ে সোজা ডাগআউটে পাঠিয়ে দেন নারিন।

ওভারে তৃতীয় বলেও সজোরে হাঁকান নারিন। তবে এবার পান ২ রান। চতুর্থ বলে মিডউইকেট দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নারিন যেন বরুনকে জানান দেন, 'বাছা, প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটটা এত সহজ নয়।' সে ওভারের শেষ দুই বলেও অন সাইডে বিশাল দুইটি ছক্কা হাঁকান নারিন। সবমিলিয়ে ২৫ রান খরচ করে শেষ হয় বরুনের আইপিএল ক্যারিয়ারের প্রথম ওভার।

ইনিংসের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারেই ২৫ রান খরচ করায় বরুনকে আর পাওয়ার প্লে'তে বোলিং দেয়ার সাহস করেননি অশ্বিন। সপ্তম ওভারে পুনরায় আক্রমণে আসলে তাকে প্রথম বলেই ৪ চার মেরে স্বাগত জানান রবিন উথাপ্পা। সে ওভারে আরো ১টি বাউন্ডারিসহ ৯ রান তোলে কলকাতা। দুই ওভারে ৩৪ রান খরচ করে যেনো অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিলেন বরুন।

তবে ১৫তম ওভারে তৃতীয় ওভার করতে এসে দুর্দান্ত বোলিং করেন বরুন। প্রথম দুই বলে বোকা বানিয়ে তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরত পাঠান আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকা নিতিশ রানাকে। সে ওভারের শেষ মাত্র ১ রান খরচ করেন বরুন। ফলে ৩ ওভারে ৩৫ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়ে শেষ হয় সাত ভ্যারিয়েশন ও সাড়ে আট কোটি রূপির বোলার বরুন চক্রবর্তীর অভিষেক আইপিএল ম্যাচ।

চুম্বন একজনকে, ডেট আরেকজনের সঙ্গে

চুম্বন একজনকে, ডেট আরেকজনের সঙ্গে

কয়েকদিন আগেই হৃতিক রোশনকে অন-স্ক্রিন চুমু খাওয়ার কথা বলেছিলেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। দক্ষিণ ও বলিউডের এ অভিনেত্রী বলেছিলেন, একমাত্র হৃতিক রোশনকেই চুমু খেতে পারেন তিনি। অন্য কাউকে নয়। তবে হৃতিককে চুমু খেলেও ডেটে যেতে চান তিনি আরেকজনের সঙ্গে। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যে। তামান্না জানালেন, অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে ডেটে যেতে চান তিনি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, আর কেউ নন, একমাত্র ভিকির সঙ্গেই ডেটে যেতে চান তিনি। দক্ষিণের ছবিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় তামান্না ভাটিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরে গোলাগুলির ঘটনায় দু'জন নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও দু'জন আহত হয়েছে। এদের অবস্থা গুরুতর। অজ্ঞাত এক বন্দুকধারী এলোপাতাড়ি গুলি চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ওই বন্দুকধারী প্রথমে এক নারীকে গুলি করে। এরপর সে রাস্তায় হেঁটে যেতে যেতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। সে একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালালে ওই বাসের চালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এরপর ওই হামলাকারী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে তার গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তার এ ধরনের হামলার পেছনে সঠিক কারণ জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, শহরের উত্তরে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া উত্তর-পূর্বদিকে স্যান্ড পয়েন্ট ওয়ের কাছ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে তার আঘাত গুরুতর নয় বলে জানানো হয়েছে।

আল্লাহ তুমি সবাইকে রক্ষা করো

আল্লাহ তুমি সবাইকে রক্ষা করো

রাজধানীর বনানীর ১৭ নম্বর রোডে এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ১৩টি ইউনিট। এতে এখন পর্যন্ত একজন নিহত হয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২.৫০ মিনিটে এফআর টাওয়ারের ৯ তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে এর ব্যাপকতা বাড়ে। ১১ তলা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। টাওয়ারের
ভেতরে অসংখ্য লোকজন বন্দি আছেন।

বিষয়টি কানে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের। সবাইকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়েছেন তারকা পেসার রুবেল হোসেন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ঢাকা বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আটকা পড়েছে অনেক মানুষ। হে মহান আল্লাহ তুমি সবাইকে রক্ষা করো। আমিন।

প্রাণ বাঁচাতে ভবন থেকে লাফ, জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে আকুতি

প্রাণ বাঁচাতে ভবন থেকে লাফ, জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে আকুতি

বানানীর এফআর ভবনে লাগা আগুন থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজনকে লাফ দিতে দেখা গেছে। এ সময় অনেককে জানালা দিয়েও হাত বাড়িয়ে উদ্ধারের আকুতি জানাতে দেখা যায়। 
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে বনানীর ২২ তলা ভবনটি ভয়াবহ আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে। 
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন লাগার খবর পেয়েই আগুন নেভানোর কর্মীরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা ২টা নাগাদ ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে যাচ্ছিল।
এদিকে আগুন থেকে বাঁচতে কয়েক ব্যক্তিকে ভবনটির বিভিন্ন তলা থেকে বের হতে দেখা যায়। উপায় না দেখে পরে কয়েকজন লাফ দেন। নিচে পড়ে যাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করেন উপস্থিত লোকজন। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ছাড়া কয়েকজনকে ভবনের আশপাশে থাকা তার ধরে নিচে নামার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে তাদের কেউ কেউ নিচে পড়ে যান। ভবনের ওপরে আকাশে হেলিকপ্টার টহল দিতে দেখা গেছে।
ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটিতে রেস্তোরাঁ আছে। আছে অফিস। আগুন লাগার সময় ভবনের ভেতরে অনেক লোকজন ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনের অষ্টম তলায় আগুন লেগেছে বলে তারা প্রথমে জানতে পারেন। পরে অন্য তলায়ও আগুন ছড়ায়। একপর্যায়ে পুরো ভবন আগুন ও আগুন থেকে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ফলে ঠিক কোন কোন তলায় আগুন ছড়িয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
ওই ভবনে কয়েকটি গার্মেন্ট বায়িং হাউজ এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের অফিস রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন

বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন

রাজধানীর বনানীর বহুতল এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে এই আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন লাগার খবর পেয়েই আগুন নেভানোর কর্মীরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন।
বেলা ২টা নাগাদ ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছিল বলে জানান যায়।
এফআর টাওয়ারটি বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। ভবনটি ২২ তলা বলে জানা গেছে।
ভবনে বিভিন্ন অফিস আছে। ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনের ভাষ্য, আগুন লাগার সময় ভবনের ভেতর অনেক লোকজন ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভবনের সপ্তম বা অষ্টম তলায় আগুন লেগেছে বলে তাঁরা প্রথমে জানতে পারেন। পরে অন্যান্য তলায়ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পুরো ভবন আগুন ও আগুন থেকে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। এতে ভবনটির কোন কোন তলায় আগুন ছড়িয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
আগুন থেকে বাঁচতে কয়েক ব্যক্তিকে ভবন থেকে বের হতে লাফ দিতে দেখা গেছে। তাঁরা নিচে পড়ে যাওয়ার পর তাঁদের উদ্ধার করেন উপস্থিত লোকজন। 

ভবনের ওপরে হেলিকপ্টার টহল দিতে দেখা গেছে।
আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্যও জানা যায়নি।