Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। প্রায় আধাঘণ্টা পরই তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ভবনে অবস্থানরতরা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এলিফ্যান্ট রোডের ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই ভবনে অবস্থানরতদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

চুম্বন একজনকে, ডেট আরেকজনের সঙ্গে

চুম্বন একজনকে, ডেট আরেকজনের সঙ্গে

কয়েকদিন আগেই হৃতিক রোশনকে অন-স্ক্রিন চুমু খাওয়ার কথা বলেছিলেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। দক্ষিণ ও বলিউডের এ অভিনেত্রী বলেছিলেন, একমাত্র হৃতিক রোশনকেই চুমু খেতে পারেন তিনি। অন্য কাউকে নয়। তবে হৃতিককে চুমু খেলেও ডেটে যেতে চান তিনি আরেকজনের সঙ্গে। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যে। তামান্না জানালেন, অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে ডেটে যেতে চান তিনি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, আর কেউ নন, একমাত্র ভিকির সঙ্গেই ডেটে যেতে চান তিনি। দক্ষিণের ছবিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় তামান্না ভাটিয়া।

প্রেমিকের সাথে ইরার অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল

প্রেমিকের সাথে ইরার অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল

বলিউডের মহাতারকা আমির খানের মেয়ে ইরা খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সরব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। ইরা নিজেই তার সুযোগ করে দিয়েছেন। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট জুড়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি দিয়ে ভরা। এক যুবকের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছবিগুলো তুলেছেন তিনি। সেই যুবককে ইরা যে ভালোবাসেন তা তিনি নিজেই বলেছেন। তাই গুঞ্জন ছড়িয়েছে, এই যুবকই হতে যাচ্ছে আমির খানের মেয়ের জামাই। 
ইরার সঙ্গী ওই যুবকের নাম মিশাল কিরপালনি। বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায় ছুটি কাটাচ্ছেন ইরা। সেখান থেকেই মিশালের সঙ্গে ঘনিষ্ট মুহূর্ত কাটানোর ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিগুলি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, আপনাদের বসন্তের ছুটি রৌদ্রোজ্জ্বল ও হাসি-খুশিতে কাটছে আশা করি। যেমন কাটছে আমাদের— আমার ও মিশালের।
ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা সেই সব ছবিতে হাসি মুখে দেখা যাচ্ছে মিশাল ও ইরাকে। অন্য একটি ছবিতে মিশালের কোলে মাথা রেখেছেন আমির খানের মেয়ে। মিশালের ঠোঁট আলতো করে ছোঁয়া ইরার কপালে।

মিশাল কিরপালনি একজন শিল্পী, প্রোডিউসার ও সুরকার। এর আগে ২০১৯-এর নববর্ষের সময় এবং মিশালের জন্মদিনে নিজেদের আলিঙ্গনরত ছবি প্রকাশ করেছিলেন আমির খানের মেয়ে।

কেউ তেল চায়, আবার কেউ সেক্স

কেউ তেল চায়, আবার কেউ সেক্স

শ্রীলেখা মিত্র কলকাতার নামী অভিনেত্রী। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দায় তার দাপুটে বিচরণ। বলিউডে ‘মিটু’ আন্দোলনের অন্যতম তিনি। একের পর এক অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। তার অভিযোগে তটস্থ হয়ে উঠে বলিউড।
এবার শ্রীলেখা মিত্র নিজেই লিখলেন কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায়। যাতে নিজের ক্যারিয়ার ও পথ চলার নানা বিষয়ে বললেন। তিনি লিখেন-
‘প্রথম সন্তান মেয়ে হলে অনেককেই বলতে শুনেছি, ঘরে লক্ষ্মী এল। সেই কারণেই কিনা জানি না, বাড়িতে সবারই আদরে বেড়ে ওঠা আমি বরাবরই গোঁয়ার এবং জেদি। পেট্রিয়ার্কির ফলআউটের শিকার খুব বেশি হতে হয়নি সেকালে। আর তখন পেট্রিয়ার্কি কী, খায় না মাথায় দেয় সেই বিষয়ে ভাববার মতো বা বোঝার মতো বোধবুদ্ধিও তৈরি হয়নি। তবে হ্যাঁ, মাকে দেখেছি চিরকাল বাবাকে এবং পরবর্তীতে আমাদের সবাইকে খানিক সমঝে চলতেন। সরি মা। ভেরি সরি। বাবা আসছে, টিভি বন্ধ কর। কলেজ থেকে তাড়াতাড়ি ফিরো। আড্ডা মারতে যেও না। বাবা ফিরে এসে কিন্তু খুব অশান্তি করবে। বাড়িতে ছেলে বন্ধু আবার কেন? বিশেষ দ্রষ্টব্য, তারা কিন্তু কেউ বয়ফ্রেন্ড নয়। এরকম টুকটাক চলতেই থাকত। বাবাকে ভয় পেতাম। মাকে নয় কেন?
টিনএজ হরমোন যখন ধিতাং ধিতাং বলে শরীরে নাচতে শুরু করল, তখন থেকেই লাগল বিরোধ। সব কিছুর সঙ্গে জড়িত হল একটি বিশেষ শব্দ। কেন? ভাগ্যিস। ইয়েস আই ডু হ্যাভ আ মাইন্ড অফ মাই ওন। অ্যান্ড ইটস ইন ওয়ার্কিং কন্ডিশন। ট্রাস্ট মি। এই অ্যাটিটিউড আর প্যাশন ফর দ্য আর্ট নিয়ে আমি যুদ্ধে নামলাম অনাত্মীয় এই ইন্ডাস্ট্রিতে। গড ফাদার নয়, শুধু নিজের ফাদারকে সঙ্গে নিয়ে আউটডোর শুটে গিয়ে অভিনয় যাত্রা শুরু।’
‘না! কোনও তিমি মাছ, হাঙর গিলতে আসেনি আমায়। শুধু কিছু চারাপোনা একটু আধটু জ্বালিয়েছিল বইকি। কিন্তু আমি চারাপোনা খাই না বলে, আমায় তারা জ্বালায়নি। হ্যাঁ, খুব বেশি হলে তাদের ছবিতে আমায় নেয়নি। কিন্তু তাতে আমার আবার অনীকদার ভাষায়, কিস্যু যায় আসে না।’
‘জনৈক প্রোডিউসার বাবাকে ডেকে এক পার্টিতে বলেছিলেন, মিত্র সাহেব আপনার মেয়েকে হয়ত বিশেষ কারণে আমার ছবিতে কখনওই নেব না। তবে ওকে আমি খুব রেসপেক্ট করি। উত্তরে বাবা স্মিত হেসে তার হাত ধরে বলেছিলেন, ‘বাবা হয়ে এটা আমার দারুণ প্রাপ্তি। থ্যাঙ্ক ইউ স্যার।’ বিশেষ কারণটা সবিস্তারে বলতে হবে? জানি, আপনারা বুদ্ধিমান।’
‘ফলপ্রসূ আমার বরাবরই ছবি কম। প্রচার কম। কাগজে বড় বড় ছবি ছাপা হয় কম। আসলে গোটা বিষয়টা আমার কাছে পাওয়ার ইকুয়েশন। যার যত ক্ষমতা, ক্ষমতা টাকার হোক বা কাজ দেওয়ার হোক, তার তত গর্জন। তোষামোদপ্রিয় মানুষ সর্বক্ষেত্রেই বিরাজমান। সে ইগো বুস্ট করতে কেউ তেল চায়। কেউ সেক্স। কেউ বা দুটোই। যারা দেন, তারা দেন। ভাল করেই দেন। যারা দেন না, তাদের আমার মতো, কিস্যু যায় আসে না।’

শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো 'পরিষ্কার' করবেন সালমা

শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো 'পরিষ্কার' করবেন সালমা

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। তার সর্ম্পকে নতুন করে কিছু বলার নেই। লালনকন্যা খ্যাত এই শিল্পী সম্প্রতি বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ে নয় এবার স্বামীর আগের বিয়ের খবরে ফের আলোচনায় সালমা। কারণ এই দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব‍্যুনাল-১। সেখানে মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রথম স্ত্রী পুষ্মীর মা দিলারা খানম। আর এই ঘটনার পর পরই প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছেন সালমা। যেহেতু এই মুহূর্তে সালমার স্বামী সাগর বিদেশে অবস্থান করছেন তাই সালমাকেই উত্তর দিতে হচ্ছে। 
ইতোমধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের গুঞ্জণও ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করে শিগগিরই একটি সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো পরিষ্কার করে তুলে ধরা হবে। আজ বুধবার বিকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এমনটাই জানালেন সালমা। 
তিনি বলেন, আমার স্বামী (সাগর) সব সাংবাদিককে সালাম জানিয়েছেন। এছাড়া সবাইকে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি (সাগর) জানান, সাংবাদিকরা তথ্য অনুযায়ী নিউজ করবে এটাই তাদের দায়িত্ব। তিনি এটাও বলেছেন, যেহেতু নিউজটি আমার এবং আমার সাবেক স্ত্রীকে কেন্দ্র করে সেহেতু বর্তমান স্ত্রীকে (সালমা) কেন জড়ানো হচ্ছে? 
সালমা আরও বলেন, পুরো বিষয়টি জানার পর সাগর বলছে- আমার তার (পুষ্মী) সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় আরও এক বছর আগে তাহলে সে (পুষ্মী) কিভাবে এখনও আমার স্ত্রী থাকে?
সাগর বর্তমানে দেশের বাইরে, সেজন্য সকল কাগজপত্রসহ শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে খোলাসা করবেন বলেও জানান সালমা।

লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন ঊর্মিলা?

লোকসভায় প্রার্থী হচ্ছেন ঊর্মিলা?

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে বড় পর্দা কিংবা ছোট পর্দার তারকাদের ওপর নির্ভর করছে বড় রাজনৈতিক দলগুলো। যে আসনগুলোতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দিয়ে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম, সেসব আসনের জন্য তারকাদের কাছে ছুটছে দলগুলো। উত্তর মুম্বাই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। গত লোকসভা নির্বাচনে এ আসনে বিজেপি দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

এর আগে এ আসন থেকে প্রয়াত অভিনেতা সুনীল দত্ত পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে নির্বাচিত হন তাঁর মেয়ে প্রিয়া দত্ত। শোনা যাচ্ছে, আসনটি পুনরুদ্ধার করতে বড় পর্দার একসময়ের জনপ্রিয় তারকা ঊর্মিলা মাতন্ডকরকে এবার প্রার্থী করতে চায় কংগ্রেস। এ ব্যাপারে নাকি এই নায়িকার সঙ্গে দেশের অন্যতম বড় এই রাজনৈতিক দলের একটি মহলের আলোচনা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে মুম্বাইয়ে কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জয় নিরুপম ও ঊর্মিলার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

বলিউডের বড় বড় তারকা থাকতে ঊর্মিলা মাতন্ডকর কেন? জানা গেছে, তিনি সেই এলাকার বাসিন্দা, আসনটিতে কংগ্রেসের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে আর ঊর্মিলার তারকাখ্যাতি—ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য এই সব কটি সুযোগকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে চাচ্ছে কংগ্রেসের স্থানীয় নেতারা। এ আসনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন লোকসভার বর্তমান সাংসদ গোপাল শেঠি।

তবে এটা এখনো নিশ্চিত, ঊর্মিলা যে প্রার্থী হচ্ছেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ২৯ এপ্রিল মহারাষ্ট্রের ১৭টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে।

নির্বাচনী প্রচারে গাইলেন নুসরাত

নির্বাচনী প্রচারে গাইলেন নুসরাত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জোরকদমে চলছে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার। বিভিন্ন দল বেশির ভাগ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সর্বাগ্রে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারাই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে লোকসভার ৪২ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঘোষিত প্রার্থী তালিকার সদস্যরা মাঠে নেমে পড়েছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের পাঁচটি আসনে পাঁচজন তারকা প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে দুজন একেবারে নতুন। নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। গত শনিবার থেকে নুসরাত জাহান নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন। চষে বেড়াচ্ছেন তাঁর নির্বাচনী এলাকা। সুন্দরবনের সন্দেশখালীতে প্রথম প্রচার সভায় দলের কর্মীদের অনুরোধে নুসরাত জাহান সিনেমার একটি গান গেয়ে শোনান। ‘লাভ এক্সপ্রেস’ ছবির গানের কলি হলো ‘মন বলেছে আমার, আজ সঙ্গে যাবে তোর।’

সুন্দরবনের মিনাখাঁ, হাড়োয়া, সরবেড়িয়া এলাকায় সভা করেছেন তিনি। বলছেন, ‘আমি আপনাদের জন্য নিয়োজিত থাকব। আপনাদের ডাকে সাড়া দেব। যখনই ডাকবেন আমি চলে আসব। আমার ফোন নম্বর রাখা আছে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে। ওখানে ফোন করলেই আমাকে পাবেন।’

পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি হলো উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট কেন্দ্র। বসিরহাট কলকাতা লাগোয়া এবং মুসলিম–অধ্যুষিত এলাকা। এই কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের প্রার্থী চিত্রনায়িকা নুসরাত জাহান। তিনি বসিরহাট কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ ২৯ বছর বয়সী নুসরাত জাহান। তিনি চলচ্চিত্রের ইমেজকে সম্বল করে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন।


নুসরাত জাহান বাংলা চলচ্চিত্রের উঠতি এক নায়িকা। জনপ্রিয় পশ্চিমবঙ্গে। ২০১১ সালে রাজ চক্রবর্তীর ‘শত্রু’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রজীবন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত তিনি ১৮টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে এবার বসিরহাট কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে প্রার্থী করেছে। এই কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ আইনজীবী ইদ্রিস আলীকে সংসদ নির্বাচন থেকে এবার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জিতেছিলেন ইদ্রিস আলী। তিনি তাঁর নিকটতম প্রার্থী সিপিআইয়ের নুরুল হুদাকে হারিয়েছিলেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬৫৯ ভোটের ব্যবধানে। নুরুল হুদা পেয়েছিলেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৬৭ ভোট। আর তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ৩৩ হাজার ৮৮৭ ভোট।


এই আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে। আর বাম দল সিপিআই প্রার্থী করেছে পল্লব সেনগুপ্তকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এখানে এখন পর্যন্ত নুসরাত জাহানের পাল্লা ভারী থাকলেও তাঁকে ত্রিমুখী লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

সায়ন্তন বসু গতকাল রোববার বসিরহাটে প্রচারে গিয়ে বলেছেন, ‘এবার আর কাউকে নির্বাচনে রিগিং করতে দেওয়া হবে না। একটা মশাও ঢুকতে পারবে না। মশা মারতে যদি কামান দাগাতে হয়, তা–ই দাগাব। তবে কাউকে রিগিং করতে দেওয়া হবে না।’ তিনি এ কথাও বলেছেন, ‘যত মাস্তান দাদারা আছেন, তাঁরা এক্ষুনি পালিয়ে যান। যদি কেউ রিগিং করতে আসেন, তবে তাঁদের গুলি করা হবে।’

কয়েক দিন আগে বসিরহাটে বিজেপির কর্মীরা দেয়াললিখনে গেলে তৃণমূলের সমর্থকেরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে সায়ন্তন বসু একহাত নেন তৃণমূলকে। সায়ন্তন বসু বলেন, তিনি এবার ভোট দেবেন মোদিজির পদ্মফুলকে। জিতবেন তিনি। মানুষ এখনো তাঁর পাশে আছেন। মানুষ জানে, কার কাছ থেকে মানুষ কাজ পাবে। কে থাকবে তাদের পাশে।

বাম দল সিপিআইয়ের হাতে একসময় এই আসনটি ছিল। এবারও বামফ্রন্ট এই আসনে সিপিআই নেতা পল্লব সেনগুপ্তকে প্রার্থী করেছে।

বাম দল চায় এবার তারা ত্রিমুখী বা চতুর্মুখী লড়াইয়ে জিতে যাবে।

‘আবেদনময়ী’ নয় ‘আকর্ষণীয়’ সারা

‘আবেদনময়ী’ নয় ‘আকর্ষণীয়’ সারা

বলিউডের ভেঙে যাওয়া একটি পরিবারের মেয়ে সারা আলী খান। শৈশবেই তাঁর অভিনেতা বাবা সাইফ আলী খান আর অভিনেত্রী মা অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একপর্যায়ে সাইফ বিয়ে করেন তারকা অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে। পরিবার ভাঙলেও ভেঙে পরেননি অমৃতা সিং। মেয়ের মনে ফুলের আঁচড় পর্যন্ত লাগতে দেননি। বুঝতে দেননি, সে একটি ভাঙা পরিবারের সন্তান। সেই সারা কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ করে ফিরেছেন বলিউডে। বাবা-মায়ের কর্মস্থলে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ‘কেদারনাথ’ ছবিতে নায়িকা হয়েছেন, ‘সিমবা’ ছবিতে রণবীর সিংয়ের নায়িকা হয়েছেন। সামনে তাঁর ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়। ফিল্মফেয়ারকে খোলামেলা নানা কথা বলেছেন এই নবাগত তারকা।
‘কেদারনাথ’ ছবির গল্পটা আপনাকে ঘিরে। অন্যদিকে ‘সিমবা’ ছবিতে আপনার উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। ছবিটা করতে গেলেন কেন? 
প্রতিটি ছবি করার পেছনে আলাদা কিছু কারণ থাকে। আমি বাণিজ্যিক ছবির ভক্ত। আমি রোহিত শেঠির ভক্ত, রণবীর সিংয়েরও ভক্ত। রোহিতের ছবিতে রণবীরের নায়িকা হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। করব না কেন! কিছু কাজ আছে, সেগুলোর সঙ্গে থাকতে পারাটাই সৌভাগ্যের। ছবিতে কাজ করে তৃপ্ত হওয়া আর বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার মধ্যে একটা ভারসাম্য থাকা দরকার।
কোন ছবিটা করবেন, কোনটা করবেন না, এসব ক্ষেত্রে কোনো পদ্ধতি মেনে চলেন? 
আমি তো নতুন। আমাকে প্রত্যয়ী থাকতে হচ্ছে। পরিচালক, চিত্রনাট্য, চরিত্র—এগুলো ভালো লাগলেই আমি রাজি হয়ে যাই। মানুষ কেবল শুক্রবারটিকে নিয়ে কথা বলে, যে শুক্রবারে ছবি মুক্তি পায়। তাঁরা মাথায় রাখে না, কত কত সোমবার, বুধবার আর রোববার চলে যায় শুটিংয়ে। বাড়ির বাইরে অচেনা একটা জায়গায় দিনের পর দিন আমাদের শুটিং করতে হয়। আমি কেবল সততা, নিষ্ঠা আর প্রত্যয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারি। এ ছাড়া আমার আর কোনো পদ্ধতি নেই।
আপনার লক্ষ্য কি বড় তারকা হওয়া, নাকি একজন ভালো অভিনয়শিল্পী হওয়া? 
আমি খ্যাতিতে বিশ্বাস করি না। তারকাখ্যাতি ব্যাপারটা আমার একটু মজার আর একটু ভয়ের মনে হয়। ব্যাপারটিকে পাত্তা না দিয়েও–বা কোথায় যাব। আমাদের দেশের লোকেরা তারকা পছন্দ করেন। আমরা তারকাদের নিয়ে মেতে থাকি, রীতিমতো মাথায় তুলে রাখি। আমি নিজেই তো শ্রীদেবীর পাগল ভক্ত। আমি মনে করি, তিনিই এই দেশের শেষ তারকা। এখন যাঁদের দেখা যায়, তাঁরা আসলে তারকা নন। কেননা, আমাকে কিন্তু রণবীরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে দেখা যাচ্ছে, সুশান্তের সঙ্গে আড্ডা মারতে দেখা যাচ্ছে, একা নাচ করতে দেখা যাচ্ছে...ইনস্টাগ্রামে সব দেখা যায়। সবই তো প্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে। খুব সস্তা হয়ে গেছে সবকিছু। আমি বিশ্বাস করি, আমাকে কতগুলো অর্থপূর্ণ কাজ করতে হবে, যেগুলো লোকের ভেতরে দাগ কাটবে। সেটাই আমার চেষ্টা। আমি সব ধরনের ছবি করতে চাই। আমি ভাগ্যবতী, কারণ নিজেকে তুলে ধরার জন্য পরপর ‘কেদারনাথ’ ও ‘সিমবা’র মতো ছবি পেয়েছি। নিজেকে সুন্দর, আবেদনময়ী, মজার, শিল্পিত, বাণিজ্যিক—সব পরিস্থিতিতে তুলে ধরতে চাই। আমি অভিনয় করতে এসেছি।
আপনি উচ্চাভিলাষী? 
খুব খুব খুব উচ্চাভিলাষী। ধিরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, যেখানে আমি পড়েছি, জায়গাটা খুবই প্রতিযোগিতাপূর্ণ। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় খুব সহজে ভর্তি হতে পারার মতো প্রতিষ্ঠান নয়। বলিউডও খুব সহজ বা মজার জায়গা না যে মোটাসোটা একটা মানুষ পায়জামা পরে গিয়ে সেখানে হাজির হলেই সবাই জায়গা ছেড়ে দেবে। আবার কেউ প্রস্তুত হয়ে তারপর সেখানে গিয়ে ঢুকতে পারবে, সেটাও না। এখানে প্রতিনিয়ত নিজেকে বদলের ওপর রাখতে হয়। আমি সেই সুবিধাটা পেয়েছিলাম। নিজের জন্য আমি সবচেয়ে ভালো কাজটা করতে চাই। সহজেই কিছু পেয়ে যাব—সেই আশা আমি করি না।
ভক্তদের কাছ থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া পান, বিশেষ করে ছেলেদের কাছ থেকে? 
ছেলেদের তোষামোদি আমি পাত্তা দিই না। বিশ্বাস করুন। এটা নিয়ে আমি আর মা প্রায়ই হাসাহাসি করি। আমার ধারণা, আমি একটু ভিতু প্রকৃতির। আমি একটু বেশি উৎসুক, উচ্চকিত আর সঙ্গপ্রিয়। ছেলেদের প্রশংসা বা তোষামোদ আমি টের পেয়ে যাই।
আপনার ভেতরে কিন্তু একটা মেয়েলিপনা আছে। সালোয়ার-কুর্তা পরে আপনাকে মন্দিরের বাইরে প্রসাদ বিতরণ করতে দেখা গেছে। 
ছেলেরা তো আজকাল মেয়েদের সালোয়ার পরাটা দেখতেই পারে না। যেমনটা আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি ছোট জামাকাপড়ে। তবে আমি দুই ধরনের পোশাকেই সমান আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু ছেলেরা এ দুই ধরনের পোশাকের ব্যাপারে সমান আগ্রহী নয়।

আপনার আবেদনটা কোথায় তাহলে? 
আমি আবেদনময়তা নিয়ে চিন্তিত নই। আমি ‘আবেদনময়ী’ শব্দটিতেও বিশ্বাস করি না। এটা একটু বেশি বেশি। বরং ‘আকর্ষণীয়’ শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আমাকে আকর্ষণীয় দেখায় কারণ আমি নকল নই। লোকে চিনে ফেলে এ কারণেই। অন্তত সেই কারণে হলেও আমি আত্মবিশ্বাসী। সেটা আমি যেখানেই থাকি না কেন—সেট, পার্টি, স্টুডিও, মিটিং বা স্কার্ট পরে রাস্তায় হাঁটলেও।

রূপের যত্নে আপনি নাকি দাদিদের পথ বেছে নিয়েছেন? 
বাজারের পণ্যে আমার বিশ্বাস নেই। ধরুন মুখে যদি ফল, মাখন, মধু ব্যবহার করেন কিংবা মুখে ঘষার জন্য প্রাকৃতিক জিনিস হিসেবে বাদাম বা ওটস ব্যবহার করেন, তাতে ত্বক চকচক করবে। চুলের জন্য ঘৃতকাঞ্চন দারুণ। লোকে হয়তো হাসতে পারে, মেথি আর পেঁয়াজ কিন্তু চুলের জন্য খুবই ভালো। এগুলো ব্যবহার করলে চুল এত সুন্দর লাগবে যে আপনার আলোকচিত্রী খুশি হয়ে যাবে। তবে সহশিল্পী সহ্য করতে পারবে না। বাজি ধরতে পারেন। পেঁয়াজের গন্ধওয়ালা চুল নিয়ে কাছে যাওয়ার জন্য সুশান্ত আর রণবীরের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলাম।

তাঁরা অভিযোগ করেছিলেন নাকি? 
(হাসতে হাসতে) হ্যাঁ, করেছিলেন। আমিই গিয়ে বলেছিলাম যে চুলে পেঁয়াজের রস দিয়েছি। একটাই তো গানের শুটিং। কষ্ট করে একটু সহ্য করেন। তাঁদের ভাবটা এমন ছিল, ‘কেন পেঁয়াজ লাগিয়ে এসেছ’, আর আমি ভাব করছিলাম, ‘সুন্দর লাগছে না!’ রণবীর আমাকে কৈলাস জীবান নামের একটা জিনিসের কথা বললেন, সেটা নাকি ভালো। ব্যস্ততা থাকলে রণবীর সেটা ব্যবহার করেন। আমি সেটা প্রতিদিন ব্যবহার করতে থাকলাম। দেখে রণবীর হতবাক। বললেন, ‘প্রতিদিন দিচ্ছ, খারাপ না।’

জাহ্নবীর (কাপুর) সঙ্গে আপনার বেশ উষ্ণ সম্পর্ক...
কলেজে পড়ার সময় থেকে জাহ্নবীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক। সে সময় আমি আমার ৯৬ কেজি শরীর নিয়ে একটু ঝামেলার মধ্য ছিলাম। তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে আড্ডা হতো। আমি সব সময় তাঁকে শুভকামনা জানাই। ইদানীং দুজনেই খুব ব্যস্ত থাকি বলে তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ তেমন হয় না। তবে দেখা হলে একে অন্যের কাজ নিয়ে ভালো-মন্দ আলাপ হয়। একসময় আমাদের দুজনের মধ্যে তুলনা করা হতো। এই তো কদিন আগেও ইনস্টাগ্রামে একজন লিখল, শাড়িতে কাকে বেশি সুন্দর লাগে? এটা আগে একটা অর্থহীন ব্যাপার ছিল। এখন অবশ্য করা যেতে পারে। কারণ, এখন সেও ছবি করে ফেলেছে, আমি করেছি।

কখন মনে হলো, আপনি অভিনয়শিল্পী হতে চান? 
এ রকম কোনো দৈবিক মুহূর্ত আমার আসেনি। পেছনের দিকে তাকালে মনে পড়ে, চার-পাঁচ বছর বয়সে আমি বলিউডের গানের সঙ্গে নাচ করতাম, নিজে নিজে গাইতাম। বাড়িতে বসে বসে বিজ্ঞাপনের নকল করতাম। এমনকি ‘নিরমা’ উচ্চারণ করতেই পারতাম না, বলতাম ‘মিরমা’। স্কুলে ভর্তির সময় মা বলেছিলেন, খুব ভদ্রভাবে কিছু বলতে বললে কীভাবে বলবে? আমি বলতাম ‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার, আলিদা প্যাহলা নাম্বার’। সবাই ভাবত, আমি একটা ক্র্যাক বাচ্চা। যত দূর মনে পড়ে, ছোট থেকেই আমি এসব করতাম।

আপনি সিনেমায় নাম লেখাচ্ছেন জানার পর বাবা-মায়ের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? 
পড়াশোনা ভালোবাসে—এমন মেয়ে ছবি করতে যাচ্ছে, এটাই ছিল তাঁদের জন্য আশ্চর্যের বিষয়। আমি যখন কলাম্বিয়া গেলাম, লোকে বাবা-মাকে সতর্ক করেছিল যে এই মেয়ে কিন্তু পয়সা নষ্ট করতে যাচ্ছে। সে ডিগ্রি নিয়ে ফিরবে ঠিকই, কিন্তু সিনেমায় গিয়ে ঢুকবে। আমার বাবা-মা তো ভণ্ড না। তাঁদের আজ যা আছে, সবই এই ইন্ডাস্ট্রি তাঁদের দিয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁরা সচেতন আর কৃতজ্ঞ। তাঁরা নিজেদের কাজকে ভালোবাসেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, এটাই তাঁদের সবচেয়ে ভালো কাজ। আপনি যখন এই পৃথিবীর একটি অংশ, সুতরাং আপনাকে একটা ভারসাম্য বজায়ে রাখতেই হবে। তাঁরা জানতেন, তাঁদের সমর্থন পেলে আমি সেটা ধরে রাখবই।
মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে শোবিজে আসতে কেউ বারণ করেনি?

বারণ করেনি। বরং সিনেমায় আসাটা আমার জন্য বিভ্রান্তিকর ছিল। আমার ওজন ছিল ৯৬ কেজি। নিজের চেহারার ব্যাপারে একদমই আত্মবিশ্বাস ছিল না আমার। কিন্তু পড়ালেখায় আবার ভীষণ স্মার্ট ছিলাম। শিক্ষকেরা ভালোবাসতেন, কারণ বেশি নম্বর পেতাম। বন্ধুরা পছন্দ করত, কারণ আমি ছিলাম মজার একটা মেয়ে, তাঁদের হোমওয়ার্কে সহযোগিতা করতাম। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একটা মোটা আর মেধাবী মেয়ের পক্ষে সিনেমায় আসার চিন্তা করাটা কঠিন, যদি সেটা নিজে থেকে ঠিক না হয়। মোটা হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা বোধ করতাম না। অথচ যে কাজে নেমেছি, সেখানে হরমোনালি, ইমোশনালি আর ফিজিক্যালি মোটা হওয়া খুব খারাপ। মোটা হওয়ায় মাথার মধ্যে একটা বাজে যুক্তি নিয়ে ঘুরতাম, যেমন: ‘সাতটা বিষয়ে যদি এ গ্রেড পেতে পারি, তাহলে আমি পাঁচটা পিৎজা কেন খাব!’ ভাবতাম, আইনজীবী হয়ে যাব, ডাক্তার হয়ে যাব কিংবা হোয়াইট হাউসে গিয়ে উঠব। এই সব আরকি।
৯৬ কেজি থেকে ছিপছিপে হয়ে গেছেন, এটা একটা অর্জন বটে! 
অবশ্যই। এখন আমার ওজন ৫৫ কেজি। শিগগির ৫৪ হয়ে যাবে। আমি এখন আর সেই মেয়েটি নেই। নিজের পুরোনো ছবি দেখলে এখন ভাবি, কী সব চিন্তা করতাম একদিন! একে তো আমি ভোজনরসিক, তার ওপর ওজন কমিয়েছি। যেনতেন কথা নয়! আপনি যখন খুব করে কিছু চাইবেন, সেটা অসম্ভব নয়।
খুব ছোটবেলায় আপনার বাবা-মা আলাদা হয়ে যান। এ নিয়ে কোনো কষ্ট আছে?
না।
সন্তান হিসেবে বিষয়টা আপনার কাছে কেমন মনে হয়? 
শৈশবেই আমি বুঝেছিলাম, এভাবেই তাঁরা ভালো আছেন। একসঙ্গে বা আলাদা থাকার মধ্যে আমি তেমন কোনো পার্থক্য বুঝিনি। আমি তো খুব অসুখী, অস্থির এবং বিষাক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারতাম। কিন্তু আজ আমি পৃথিবীর সেরা মায়ের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ, সুখী, স্বাস্থ্যকর একটা পরিবেশে বড় হচ্ছি। বন্ধুরা জিজ্ঞেস করে, ছুটির রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া মিস করি কি না। প্রতিরাতে ব্যায়াম করে ফেরার পর আমি মায়ের সঙ্গে সময় কাটাই। প্রতি রাতেই পায়জামা পার্টি হয় আমাদের, দারুণ লাগে সেটা। বাবা কখনোই বুঝতে দেন না যে আমরা একসঙ্গে নেই। তিনি সব সময় ফোন করেন। রাতের খাবার বা কফির জন্য তিনি সব সময় প্রস্তুত। তাহলে কী মিস করব, কেন মিস করব? দুজন সুখী বাবা-মায়ের সঙ্গে আমি দুটি পরিবার পেয়েছি। প্রত্যেকের আলাদা করে একটা বড় ক্ষতির বদলে এটা বরং ভালো হয়েছে।
কে বেশি কাছের, বাবা নাকি মা? 
মা। তিনিই আমার পৃথিবী। তাঁকে ছাড়া আমি অচল। ‘কোন পোশাকটি পরব’ থেকে শুরু করে ‘এই ট্রেলার ভালো লাগল কীভাবে’, ‘ছেলেটা দারুণ না’...সব শেয়ার করি। তিনি সব বিষয়ে মত দেন। মায়ের খুব নেওটা আমি, আবার দুজনের খুব ঝগড়াও হয়। লোকে হাঁ করে আমাদের কাণ্ড দেখে।
বাবার কোন ছবিটা আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে?
‘হাম তুম’ আমার বেশি ভালো লেগেছে। এমনকি ‘সালাম নমস্তে’ ছবিতেও তাঁকে খুব মজার লেগেছে। আবার যখন তাঁকে ‘ওমকারা’ বা ‘সেক্রেড গেমস’-এ দেখি, তখন ভরসা তৈরি হয়। তিনি এত মেধাবী একজন অভিনেতা, যেকোনো চরিত্রে তিনি মিশে যেতে পারেন।
আর মায়ের? 
মায়ের ছবি আমি দেখিনি। আমি বড় হয়ে উঠতে উঠতে তিনি কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর কিছু পুরোনো ছবি দেখেছি। তিনি নৃত্যশিল্পী হিসেবে তেমন ভালো নন, কিন্তু ‘ওয়ারিশ’ ছবির ‘মেরে পেয়ার কি ওমর’ গানে তাঁকে খুব সুন্দর লাগছিল।
বাবা-মায়ের চরিত্র থেকে আপনি কী পেয়েছেন? 
বাবার কাছ থেকে পেয়েছি মন, মায়ের কাছ থেকে হৃদয়। এসবই আমাকে সুন্দর করেছে। বাকি যা আমার নেই, সেসব আমি গড়ে নেব।
সৎমা কারিনার ব্যাপারে কী বলবেন? 
আমি তাঁর মারাত্মক ভক্ত। আজ পর্যন্ত আমার কাছে বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে ‘পু’ থেকে শুরু করে ‘কাভি খুশি কাভি গম’-এর নায়িকা আমার সৎমা! শ্রীদেবীর পরেই আমি কারিনা কাপুরের ভক্ত। আমি মনে করি, আমার বাবাকে যে ভালো রাখতে পারে, সে আমার কাছে ভালো। বাবাকে যে ভালোবাসবে, আমিও তাকে ভালোবাসব। সে কে, সেটা আমার জানার দরকার নেই। বাবা মনে করেন, আমি আর কারিনা ভালো বন্ধু। আমাদের দুজনের সম্পর্ক মর্যাদার। কারিনাকে গ্রহণ করতে সহজ হয়েছে, কারণ আমার মা আমাকে বুঝিয়েছিলেন, সব ঠিক আছে। বাবার বিয়েতে তিনিই আমাকে সাজিয়ে দিয়েছিলেন। এ-ই যখন পরিবেশ, তখন সবকিছু ঠিক থাকতে বাধ্য।
পেশার নির্মম দিকগুলোর ব্যাপারে আপনি কতটা প্রস্তুত?
সব ইন্ডাস্ট্রিতে নির্মমতা আছে। আমার বাবা-মা জীবিত আছেন, তাঁরা আমাকে খুব ভালোবাসেন। আমি জানি, আমার মা খুব রক্ষণশীল, শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান। তিনি আমার মাথার ওপরে আছেন। আশা করি, আমি ভালো থাকব। সব জিনিসের অন্ধকার দিক আছে। সেটা ছাড়া দুনিয়াটা ভালো লাগবে না।

জন্মদিনেও শুটিং-এ ব্যস্ত আইরিন তানি

জন্মদিনেও শুটিং-এ ব্যস্ত আইরিন তানি

ছোটপর্দার এই সময়ের প্রিয়মুখ আইরিন তানি, মিডিয়াতে যার যাত্রা শুরু হয়েছিলো বাদল খন্দকারের ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ সিনেমায় অভিনয় করে। কিন্তু সিনেমাতে অভিনয় করলেও পরবর্তীতে তিনি নিজেকে টিভি নাটকে এবং বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করা নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে উঠেন। ভালো ভালো গল্পের নাটকে এবং বেশকিছু ভালো ভালো পণ্যের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করে আইরিন তানি আলোচনায় আসেন। নতুন বছরের শুরুতে আইরিন তানি গ্রামীন ফোনের একটি নতুন অ্যাবস’র বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। গেলো সপ্তাহে বিজ্ঞাপনটির শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন তিনি। বিজ্ঞাপনটিতে আইরিন তানি একজন আদর্শ মায়ের ভূমিকায় মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন। তানি জানান, এপ্রিল মাসেই বিজ্ঞাপনটি শুধুমাত্র ইউটিউবে প্রচারে আসবে। এর আগে তিনি গ্রামীণ ফোনের স্টিল টিভিসিতে মডেল হয়েছিলেন। বরেণ্য অভিনেতা জাহিদ হাসানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে আইরিন তানি প্রথম ডিভাইন সি সিটি’র বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছিলেন।
এরপর তিনি আরএফএল, মিনিস্টার’র বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন। বিজ্ঞাপনে কাজ করা প্রসঙ্গে আইরিন তানি বলেন, ‘ বিজ্ঞাপনে কাজ করার ব্যাপারে আমি একটু সচেতন থাকার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি ভালো ব্র্যান্ডের পণ্যের বিজ্ঞাপনে নিজেকে মডেল হিসেবে উপস্থিত করতে। যে কারণে হয়তো বিজ্ঞাপনে কাজ করার সংখ্যা কম আমার। কিন্তু আমার কাজ প্রত্যেকটিই দর্শকের জানা। কাজগুলোর জন্য প্রতিনিয়তই আমি বেশ সাড়া পাই। গ্রামীণ ফোনের নতুন বিজ্ঞাপনটি নিয়েও আমি আশাবাদী। কারণ গল্প এবং নির্মাণশৈলী খুউব ভালো হয়েছে।’ এদিকে আজ আইরিন তানির জন্মদিন। তবে জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোন পরিকল্পনা নেই তার।
 কারণ আজও তিনি ধারাবাহিক নাটকের শুটিং-এ ব্যস্ত থাকবেন। তবে রাতে মা মমতাজ বেগম, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আতœীয় স্বজন আর কাছের কিছু মানুষের সঙ্গেই সময় কাটবে তার। গতকাল আইরিন তানি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার চলতি ধারাবাহিক ‘ফুল এইচডি’র শুটিং-এ অংশ নেন। এই ধারাবাহিকটি ছাড়াও তানি বর্তমানে সালাহ উদ্দিন লাভলুর ‘প্রিয় দিন প্রিয় রাত’ ও মীর সাব্বিরের ‘নোয়াশাল’ ধারাবাহিকে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এরইমধ্যে আইরিন তানি শেষ করেছেন গোলাম মোস্তফা শিমুলের ‘দ্যা লোনী’ ও ‘লবন’ সিনেমার কাজ। এছাড়াও কলকাতার সিনেমা ‘মায়া’র কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটি নির্মাণ করছেন কলকাতার নির্মাতা শঙ্খ ঘোষ।
ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার।

অন্যান্য খেলাধুলা বিয়ের পর দোয়া চাইলেন মিরাজ

অন্যান্য খেলাধুলা  বিয়ের পর দোয়া চাইলেন মিরাজ

স্পোর্টস রিপোর্টার : নতুন ইনিংস শুরু করেছেন ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ। গতকাল রাবেয়া আখতার প্রীতির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। মিরাজ এবং তার স্ত্রী দুজনেরই বাড়ি খুলনাতে। আপাতত তাদের আকদ হয়েছে। বিশ্বকাপের পর ঘটা করে অনুষ্ঠান করা হবে জানিয়েছেন মিরাজ। বিয়ের পর সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে বিয়ের ছবি আপলোড করে মিরাজ লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। জীবনের নতুন জার্নি শুরু করলাম। আমার ফ্যান ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করব, নতুন এই যাত্রায় আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন।’ ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন মিরাজ। এর আগে সবার মাঝে মিরাজ পরিচিত থাকলেও এই বিশ্বকাপ থেকে মোটামুটি তার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। মিরাজের হাত ধরে এই বিশ্বকাপের সেমিতে খেলেছিল বাংলাদেশ। একই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মিরাজের। ওই বছরের অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন এই ক্রিকেটার। অভিষেক সিরিজেই বাজিমাত করেছিলেন তিনি। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ব্যাট-বল হাতে ক্রিকেট মাঠ মাতানোর পর এবার জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন মিরাজ।

কন্যা সন্তানের মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া।

কন্যা সন্তানের মা হলেন বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া।

গতকাল রোববার সকালে মুম্বাইয়ের মহিলা হাসপাতালে ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন তিনি। জানা গেছে, বতর্মানে মা ও মেয়ে দু’জনেই সুস্থ আছেন। এর আগে নেহা ধুপিয়ার মা হওয়ার খবর নিয়ে গুজব উঠেছিল বলিউডে। এমনকি বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত¡ার খবর রটে। পরে অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছবি প্রকাশ করে সেকথা মেনেও নিয়েছিলেন নেহার স্বামী অঙ্গদ বেদি? জানিয়েছিলেন, শীঘ্রই তাঁদের সংসারে আসছে নতুন অতিথি। এমন সুখবর পেয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন পরিচালক করণ জোহর, অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ-সহ বলি দুনিয়ার তারকারা। অবশেষে সেই দিনটি এসে গেল? তাও আবার বিয়ের ছ’মাসের মাথায়ই।? 

২০০২ সালে মিস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন নেহা ধুপিয়া? তারপরই হিন্দি ছবির জগতে যাত্রা শুরু।?অভিনয়ের ফঁাকে মন দেয়া-নেয়ার পর জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার বিষেণ সিং বেদির ছেলে অভিনেতা অঙ্গদ বেদিকে। চলতি বছর সোনমের বিয়ে নিয়ে যখন মেতে উঠেছিল গোটা বলিউডপাড়া, ঠিক তখনই (১০ মে) চুপিসারে চারহাত এক হয় নেহা-অঙ্গদের বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই অন্তজাের্ল ভাইরাল হতে থাকে গভর্বতী নেহার একের পর এক ছবি। এবার নতুন অতিথির আগমনে খুশি তারকা কাপল।?

সম্প্রতি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন টেনিসতারকা সানিয়া মিজার্। তার ছবিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। এদিকে কয়দিন আগে নিজেদের দ্বিতীয় সন্তানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন শাহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। এবার নেহা-অঙ্গদের কন্যাকে দেখার অপেক্ষায় তাদের অনুরাগীরা।

কাজে ফেরার প্রস্তুতি পূণির্মার

কাজে ফেরার প্রস্তুতি পূণির্মার


বেশকিছুদিন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে পেশাগত কাজ থেকে দূরে ছিলেন চিত্রনায়িকা পূণির্মা। তবে সুস্থ হয়ে আবারও তিনি তার পেশাগত কাজে ফিরেছেন। এরইমধ্যে গাজীপুরে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনাও করেছেন তিনি। আগামী ডিসেম্বরে শুরু হতে যাচ্ছে ফেরদৌস’র প্রযোজনা সংস্থা ‘নূজহাত ফিল্মস’ ও নেয়ামুলের প্রযোজনা সংস্থা ‘ইচ্ছেমতো’ প্রযোজিত নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ সিনেমার শুটিং। এই সিনেমায় পূণির্মাকে একজন এনজিওকমীর্র চরিত্রে অভিনয়ে দেখা যাবে। যেহেতু একজন এনজিওকমীর্ হিসেবে গ্রামের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তে তাকে ছুটে বেড়াতে হবে তাই তাকে গল্প অনুযায়ী একটি স্কুটিতে চড়ে গ্রামের পর গ্রামে ঘুরে বেড়াতে হবে। আর তাই প্রয়োজন হয়ে দেখা দিয়েছে পূণির্মার স্কুটি শেখার। তাকে স্কুটি শেখানোর গুরু দায়িত্ব নিয়েছেন ফেরদৌস। এরইমধ্যে গত শুক্রবার থেকে ফেরদৌস পূণির্মাকে স্কুটি চালানো শেখাচ্ছেন। টানা এক সপ্তাহ তিনি এই স্কুটি চালানোর প্রশিক্ষক হিসেবে পূণির্মাকে স্কুটি শেখাবেন।

পূণির্মা বলেন, ‘গাঙচিলের গল্পের প্রয়োজনেই পরিচালক এবং প্রযোজকের আগ্রকে কষ্ট হলেও আমি স্কুটি চালানো শিখছি। এর আগে স্কুটি বা সাইকেল চালানো কখনোই শিখিনি আমি। তবে আমার বিশ্বাস কয়েকদিনের টানা চেষ্টায় বেশ ভালো স্কুটি চালানো শিখে ফেলব, সেই আত্মবিশ্বাস আছে আমার। ফেরদৌসকে ধন্যবাদ আমার পাশে থেকে আমাকে স্কুটি চালানোতে সহযোগিতা করছে। আমার খুউব ভালো একজন বন্ধুর কাছে আমি এটা শিখছি এটাও অবশ্য আমার অনেক ভালোলাগার।’ ওবায়দুল কাদেরের গল্পে ‘গাঙচিল’র চিত্রনাট্য করেছেন মারুফ রেহমান। 

এদিকে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফেরদৌস ও পূণির্মার নেয়ামুল পরিচালিত ‘জ্যাম’ সিনেমারও শুটিং শুরু হবে। পূণির্মা নিয়মিত আরটিভিতে প্রচার চলতি ‘এবং পূণির্মা’রও উপস্থাপনা করছেন। গত শুক্রবার তার নিমন্ত্রণে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন মিনার ও প্রীতম।

ললনা, নাটক বোঝ আবেগ বোঝ না

ললনা, নাটক বোঝ আবেগ বোঝ না


প্রকাশিত হলো ‌‌'ললনা’ শিরোনামের নতুন গান। গানটি গেয়েছেন নতুন শিল্পী শেখ সাদী। সিএমভি’র ব্যানারে আজ বেলা ৩টায় প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পায়।  
গানটির কথা-সুর-কণ্ঠ দিয়েছেন সাদী নিজেই। মেহেদী হাসান লিমনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন শাহরিয়ার রাফাত। নির্মিত হয়েছে ব্যয়বহুল একটি মিউজিক ভিডিও। সৈকত রেজার নির্মাণে এতে মডেল হয়েছেন শেখ সাদী নিজেই। তারসঙ্গে ‘ললনা’ রূপে আছেন মারিয়া ননি।
গানটির কথাগুলো হচ্ছে, ও ললনা তুমি আমার মনটা বোঝ না/ ও ললনা তোমার সাথে আমার বনে না/ ও ললনা নাটক বোঝ আবেগ বোঝ না।
সঙ্গিতাঙ্গনে আনুষ্ঠানিক যাত্রা প্রসঙ্গে শেখ সাদী বলেন, ‘এটা পরম সৌভাগ্য সিএমভির মতো প্রতিষ্ঠান আমাকে নিয়ে এভাবে ভেবেছে। এত দ্রুত এমন একটি শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্মে আমার মিউজিক ভিডিও তৈরি ও রিলিজ হবে সেটা প্রত্যাশা করিনি। সবার দোয়া-ভালোবাসায় আমি ভালো কিছু করতে চাই। আশা করছি মিউজিক ভিডিওটি দেখে মুগ্ধ হবেন সবাই।’

রাজ-শুভশ্রীর নতুন খবর

রাজ-শুভশ্রীর নতুন খবর

বিয়ের পর কেমন কাটছে রাজ-শুভশ্রীর সংসার?এ প্রশ্ন অনেক ভক্তদের মনেই এখন উকি দিচ্ছে। কথায় আছে প্রেমিক যখন স্বামী হয় তখন সংসারে নাকী খুব একটা সুখকর হয়না! কিন্তু এমন কথার মিথ্যে প্রমাণ পাওয়া গেলো রাজ-শুভশ্রীর বেলায়। বিয়ের পর প্রথম জন্মদিন পালন করলেন শুভশ্রী। আশ্চর্য হলেও সত্যি জন্মদিনের দু’দিন আগে থেকেই শুরু হয় তার প্রি-বার্থডে উদযাপন।
এই জন্মদিন উপলক্ষেই বর রাজ চক্রবর্তী আর বন্ধুদের সংঙ্গে বেড়াতে গেলেন দেশের বাইরে। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ালেন। সময়টাকে ফ্রেমবন্দি করতেও ভুললেন না। স্বামী রাজের সংঙ্গে ঘনিষ্ট হয়ে ছবিও তুলে তা স্যোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভক্তদের জানান দিলেন স্বামীর সঙ্গে বেশ সুখেই দিন যাপন করছেন তিনি। 

স্যোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করা সেই ছবিতে দেখা গেলো শুভশ্রীর পরনে হট প্যান্ট আর চেকস, পায়ে স্নিকার্স, রাজেরও তাই । শর্ট ড্রেসে শুভশ্রীর এই ছবি কমেন্টে 'বং ডিভা' বলেই উল্লেখ মন্তব্য করেছেন ভক্তরা। 
শুধুই কী তাই! শুভশ্রীর গালে রাজ একেছেন চুমু। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন এ টালিকন্যা। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে শুভশ্রীর পরের ছবির পরিচালক কি রাজ? এ নিয়ে টালি পাড়ায় গুজ্ঞন এখন চলছে। তবে এসব গুঞ্জনের দিকে মনোযোগ নেই তাদের। থাইল্যান্ডে বেড়ানোর মুডেই থাকতে চাইছেন আপাতত ।
ঘুরাঘুরি ছবিতে শুভশ্রীকে বেশ প্রাণোচঞ্চল থাকতেই দেখাচ্ছে। শর্ট অফ শোল্ডার ড্রেস আর মেকাপ ছাড়া শুবশ্রীকে সত্যিই দারুন লাগছে। 
এদিকে ঘুরাঘুরি মাঝেই হুট করেই নতুন খবর দিলেন শুভশ্রী। স্যোসাল মাধ্যমে বললেন, ‘তোমাদের সকলের জন্য খুব স্পেশ্যাল খবর দেব আমি। গেস করতে পারছো?  আমার সম্বন্ধে আরও বেশি খবর জানতে শেয়ার চ্যাট অ্যাপ এই মুহূর্তে ডাউনলোড কর। আমার অ্যাকাউন্ট ফলো কর। আমার সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে পারবে। কিছু এক্সক্লুসিভ কনটেন্টও পাবে।’

সতর্ক থাকতে বললেন মেহজাবিন

সতর্ক থাকতে বললেন মেহজাবিন


এবার ভক্তদের সতর্ক থাকার আহবান জানালেন টিভি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী।  আরও জানালেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক নিয়ে তার বিব্রত হওয়ার অভিজ্ঞতা। 
ফেসবুকে সার্চ করলে মেহজাবিনের নামে অসংখ্য ভূয়া আইডি ও পেজ  চলে আসে।  এর মধ্যে মাত্র একটিই মেহজাবিনের নিজের। বাকীগুলো ফেইক।  এ বিষয়ে ভক্তদের সতর্ক ও সাবধান থাকার আহবান জানালেন এ অভিনেত্রী। 
মেহজাবীন বলেন,‘ সবাইকে বলছি আমার একটি নিজস্ব ফেসবুক আইডি আছে যেটি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ থেকে ভেরিফায়েড। ওই আইডির ফলোয়ার্স পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি। এছাড়া একটি ফ্যান পেজ রয়েছে সেখানে তিন লাখ পঁচাশি হাজারের মতো। শুধুমাত্র এই দুটো আমি নিয়ন্ত্রণ করি। এছাড়া ফেসবুকে বাকি যত আইডি রয়েছে সবগুলোই ভূয়া। ওইসব ভূয়া আইডি ও পেজের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আশা করবো আমার ভক্তরা যেন ভিভ্রান্ত না হন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই আইডি ব্যবহারকারীরা (ইউজার) আমার নামে নকল-ফেক আইডি খুলে টাকা ও আর্থিক সাহায্য চাইছে। এদের থেকে সাবধান হতে অনুরোধ করছি। অনুগ্রহ করে এমন ম্যাসেজ পেলে আমাকে জানাবেন কিংবা রিপোর্ট করবেন।’

শুটিংয়ে আহত সালমান

শুটিংয়ে আহত সালমান


পরিচালক আলি আব্বাস জাফরের আসন্ন সিনেমা 'ভারত' নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বর্তমানে ভারতের পাঞ্জাবে ছবিটির শুটিং চলছে। 
আর সেখানে একটি 'ঝুকিঁপূর্ণ' দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়েই আহত হয়েছেন 'ভাইজান' খ্যাত এই তারকা। এই মুহূর্তে সালমান খানকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সালমান খান কতখানি আঘাত পেয়েছেন তা জানা যায়নি। আপাতত ছবিটির শুটিং স্থগিত করা হয়েছে।
'ভারত' ছবিতে সালমান খানের বিপরীতে রয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। এছাড়া আরও রয়েছেন জ্যাকি শ্রফ, টাবু, নোরা ফতেহি, বরুণ ধাওয়ান। পাঞ্জাবের পর ছবিটির পরবর্তী শুটিং মাল্টায় হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: টাইমস নাও

কে হচ্ছেন সেরা সুন্দরী?

কে হচ্ছেন সেরা সুন্দরী?


রোববার বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হলে বসতে যাচ্ছে সুন্দরীদের হাট। এখানেই ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেরা ১০ সুন্দরীদের মাঝখান থেকে নির্বাচিত করা হবে এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ।
এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে উত্তীর্ণ ১০ প্রতিযোগী হচ্ছেন নিশাত নাওয়ার সালওয়া, মনজিরা বাশার, ইশরাত জাহান সাবরিন, স্মিতা টুম্পা বাড়ৈ, আফরিন সুলতানা লাবণী, সুমনা নাথ অনন্যা, নাজিবা বুশরা, জান্নাতুল মাওয়া, শিরীন শিলা এবং জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।
এবারের আসরে মূল বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শুভ্রদেব, মডেল ও অভিনেত্রী তারিন, মডেল ও অভিনেতা খালেদ সুজন, মডেল ইমি, ব্যরিস্টার ফারাবী। ফাইনালের  আইকন বিচারক হিসেবে থাকছেন মাইলস ব্যান্ডের শাফিন আহমেদ, হামিন আহমেদস এবং আনিসুল ইসলাম হিরু।
এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রেজেন্ট করছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। পাওয়ারড বাই স্পন্সর প্রেমস্ কালেকশন এবং কো পাওয়ার্ড বাই স্টেপ ফুটওয়্যার। ব্রডকাস্টিং পার্টনার এটিএন বাংলা, টিভি নিউজ পার্টনার একাত্তর টিভি, হসপিটালিটি পার্টনার রয়্যাল প্যারাডাইস হোটেল, অনলাইন পার্টনার জাগোনিউজ২৪ এবং এফএম পার্টনার জাগো এফএম ৯৪.৪।
অন্তর শোবিজের আয়োজনে গুলশান ২ এর নবনির্মিত পাঁচ তারকা হোটেল রয়্যাল প্যারাডাইস এ সেরা ১০ প্রতিযোগীকে এর মধ্যেই গ্রুমিং পার্ব শেষ হয়েছে। ফাইনালের চূড়ান্ত মঞ্চ কাঁপাতে প্রস্তুত তারা। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা’র রাজদর্শন হল থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে এটিএন বাংলা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে আছেন ডিজে সনিকা ও আরজে নিরব।
স্পন্সর প্রতিষ্ঠান, পার্টনার প্রতিষ্ঠান ও মিডিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘সকল স্পন্সর, পার্টনার এবং মিডিয়ার প্রতি আমার অসীম কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা অন্তর শোবিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরীন চৌধুরীর প্রতি। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ছাড়া এই আয়োজন অসম্ভব ছিল। আরো একজন ফ্রেণ্ডস এন্ড ফ্যামিলির কথা না বললেই নয়- তিনি ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিও কৃতজ্ঞতা সঙ্গ-সমর্থনের জন্য।’
ফাইনালে চূড়ান্ত বিজয়ী ৭ ডিসেম্বর চীনে মূল পর্বে যোগদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে এবার মূল পর্বের আগে প্রায় তিন মাস সময় পাওয়া যাবে। ফলে চূড়ান্ত বিজয়ীকে তৈরি করার সময় পাওয়া যাবে বেশি। বিশ্বখ্যাত গ্রুমার নয়নিকা চ্যাটার্জী তাকে তৈরি করাবেন। তা হাতেই ১৯৯৬ থেকে একাধিক প্রতিযোগী বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জিতেছেন।
অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নাম পাঠাতে হয়। তাই আমরা এর মধ্যেই অনুষ্ঠান শেষ করে এনেছি। আর এবার সব প্রস্তুতি দারুন। বিশ্বসেরার মুকুটের জন্য আমরাও দুর্দান্তভাবে লড়তে চাই।’
স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘যিনি এবার সেরা হবেন, তাকে মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত করা হবে। ভারতের নয়নিকা চ্যাটার্জির সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের এই প্রশিক্ষক দিল্লিতে আছেন। তিনি দুই মাসের জন্য ঢাকায় আসবেন। পুরো সময়টাতেই তিনি ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবেন।’
স্বপন চৌধুরী আরও জানান, ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার সেরা ১০ প্রতিযোগীকে নিয়ে গুলশানে পাঁচ তারকা হোটেল রয়্যাল প্যারাডাইসে গ্রুমিং পর্ব আয়োজন করা হয়। ফাইনালের জন্য এখন সবাই প্রস্তুত।

স্যুটকেসের ভিতরে সুন্দরী মডেলের লাশ

স্যুটকেসের ভিতরে সুন্দরী মডেলের লাশ


স্যুটকেসের ভিতর থেকে উদ্ধার হলো এক মডেলের লাশ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মুম্বইয়ের মালাড অঞ্চলে। ২০ বছর বয়সী ওই মডেলের নাম মানসী দীক্ষিত। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিনেত্রী হবেন বলেই রাজস্থান থেকে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন ওই মডেল। বলিউডে পা রাখবেন বলে কঠিন পরিশ্রমও করে যাচ্ছিলেন মানসী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রোবরার রাতে আন্ধেরিতে ১৯ বছরের তরুণের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মানসী। আর সেখানেই তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন দু’জনে। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তীর ছিল ওই তরুণের দিকে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ওই দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন মানসীকে। যদিও এই তরুণটিসঙ্গে মানসীর আদতে কী সম্পর্ক তা নিয়ে কিছুই জানানো হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে যে, মানসীর লাশ বাক্সবন্দি করার পরেই বিমানবন্দরের দিকে একটি ক্যাব বুক করেন দরুণটি। মাঝপথে ক্যাব ড্রাইভারকে মাইন্ডস্পেসের দিকে গাড়িটি ঘুরিয়ে দিতে বলেন তিনি। মাইন্ডস্পেস জায়গাটা আসলে ঝোপঝাড় আর ম্যানগ্রোভে ভর্তি।
ওখানেই স্যুটকেসটা পুঁতে রেখেছিল অভিযুক্ত, জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। আর তা করতে গিয়েই ক্যাব ড্রাইভারের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তরুণটি। ঠিক তখনই ক্যাবটি ছেড়ে একটি অটো রিকশা ধরে সে। সেই সময়েই পুলিশকে ফোন করে বিষয়টা জানান ওই ক্যাব ড্রাইভার।
পুলিশের দাবি, মানসীকে যে খুন করেছে সে কথা ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে মোজাম্মেল। সেই ঝোপঝাড়ের ভিতর থেকেই বাক্সবন্দি মানসীর দেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। আর সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাতদন্তের জন্যও মানসীর লাশ পাঠিয়ে দেয়া হয়। মোজাম্মেলকে ৩০২ ধারায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সচেতনতা সৃষ্টিতে মৌসুমী
অভি মঈনুদ্দীন

প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী বেশ কয়েক বছর ধরে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করে আসছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে নানান ধরনের সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন তিনি। অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই তিনি তা করে আসছেন। যে কারণে তার পরবর্তী প্রজন্মের নায়িকাদের কাছে মৌসুমী একটি আদর্শের নাম।
অভিবাসন ও কর্মসংস্থান আইনবিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের (আইএলও} ‘জেনে মেনে বিদেশ যাই’ শীর্ষক প্রচারণার কাজে অংশ নিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা ও পরিচালক মৌসুমী। গত বুধবার সকালে তিনি এই প্রচারণার অংশের শুটিংয়ের কাজ শেষ করেন। মৌসুমীর প্রচারণার কাজটির নির্দেশক ছিলেন গুণী নাট্যনির্মাতা রহমতুল্লাহ তুহিন। মূলত দেশের বাইরে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশগামীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মৌসুমী এই প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। নির্মাতা রহমতুল্লাহ তুহিন জানান, ৪০ মিনিটের একটি নাটক তিনি এরই মধ্যে নির্মাণ করেছেন। নাটকের নাম বিদেশ বাবু। এই নাটকটির একেবারে শেষ অংশে মৌসুমীর প্রচারণার অংশটি দর্শক দেখতে পাবেন। নাটকটিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ, ফারজানা রিক্তা ও নীলভ।
নাটকটি রচনা করেছেন অয়ন চৌধুরী। কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশগামীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করা প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, এটা তো আসলে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির একটি কাজ। আমি আমার অবস্থান থেকে কাজটি অনেক আন্তরিকতা নিয়ে করেছি, যাতে সবার উপকার হয়। আমাদের দেশের অনেকেই না জেনে দেশের বাইরের যাওয়ার নানান নিয়মকানুন সম্পর্কে অবহিত না হয়ে দেশের বাইরে যান। তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই আমার এ কাজটি করা। আমার এ কাজের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের উপকার হয়, দেশের বাইরে যেতে গিয়ে গিয়ে যদি কারো আর ভুলত্রুটি না হয় সেটাই হবে আমার জন্য অনেক ভালোলাগার। নাটক নির্মাণ এবং মৌসুমীকে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করানোÑ পুরো বিষয়টির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছে ‘এক্সপ্রেসন’।
রহমতুল্লাহ জানান, আগামী মাস থেকেই বিদেশ বাবু নাটক প্রচারণার মধ্য দিয়ে মৌসুমীর ‘জেনে মেনে বিদেশ যাই’ প্রচারণার কাজটি দর্শক দেখতে পাবেন বিভিন্ন চ্যানেলে। এদিকে এরই মধ্যে মুক্তি পেয়েছে মৌসুমী অভিনীত একে সোহেল পরিচালিত পবিত্র ভালোবাসা চলচ্চিত্রটি। গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল মৌসুমী অভিনীত ইস্পাহানী আরিফ জাহান পরিচালিত নায়ক চলচ্চিত্রটি। কিন্তু শেষতক তা মুক্তি পায়নি। আগামী ১৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে হাবিবুল ইসলাম হাবিব পরিচালিত রাত্রির যাত্রী চলচ্চিত্রটি। 
ছবি : আলিফ হোসেন রিফাত

কথাটি সময়ই বলে দেবে: বুবলী

কথাটি সময়ই বলে দেবে: বুবলী

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির হালের অন্যতম আলোচিত চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এখন পর্যন্ত বুবলী অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত বেশিরভাগ চলচ্চিত্র ব্যবসা সফল ও আলোচিত হয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ধারার ছবির নায়িকাদের মধ্যে খানিকটা এগিয়ে বুবলী। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে সবগুলো ছবিতে বুবলী নায়ক হিসেবে পেয়েছেন শাকিব খানকে। দর্শক চাহিদার কথা বিবেচনা করে পরিচালক-প্রযোজকরা এই জুটিকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন। এরই ফলশ্রুতিতে এবারের ঈদেও শাকিব-বুবলী জুটির ‘ক্যাপ্টেন খান’ চলচ্চিত্রটি প্রায় ১৮০ টির মতো সিনেমা হলে প্রদর্শিত হচ্ছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ওয়াজেদ আলী সুমন। ক্যাপ্টেন খান ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন চিত্রনায়িকা শবনব বুবলী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ।

আপনার অভিনীত ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবিটি ঈদে মুক্তি পেয়েছে। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

‘ক্যাপ্টেন খান’ বড় আয়োজনের চলচ্চিত্র। ছবিতে একঝাঁক তারকা শিল্পী অভিনয় করেছেন। শাকিব খান তো রয়েছেনই। সেই সঙ্গে আরও আছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর, নায়ক সম্রাট, শিবা শানু, ডন ভাইসহ অনেকে। শিল্পীনির্ভর ছবি হওয়াতে দর্শকের দিক থেকে ভালো রেসপন্স পাচ্ছি।

প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি কী দেখেছেন?
হ্যাঁ, দেখেছি। আপনি জানেন, গেল কয়েক বছর ধরেই আমার অভিনীত চলচ্চিত্র ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। আমি বোরকা পরে নিজের অভিনীত ছবি দর্শকদের সঙ্গে বসে দেখি। এবারও সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখেছি। সেক্ষেত্রে আমি যেটা করে থাকি সিনেপ্লেক্স না, একেবারে লোকাল হলগুলোতে নিজের অভিনীত সিনেমা দেখে থাকি। এবারের ঈদেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে ছবিটি দেখতে একটু দেরি হয়ে গেছে। কারণ এই ছবির গানের শুটিংয়ে ঈদের আগে দেশের বাইরে যেতে হয়েছিল। ফলে ঈদের জন্য নির্মিত টেলিভিশন অনুষ্ঠানগুলোতে যোগ দিতে পারেনি। ঈদের মধ্যে বাসায় সময় দিতে হয়েছে। সব কিছু সামলে নিয়ে ঈদের দিন ও পরে টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। গতকাল (২৮ আগস্ট) চম্পাকলি সিনেমা হলে ‘ক্যাপ্টেন খান’ দেখলাম। ছবিটি দেখার সময় দর্শকদের চিৎকার, শিস বাজানো, হাততালি ভীষণ উপভোগ করেছি। দর্শকের জন্যই অভিনয় করি। কেমন কাজ করলাম তার প্রকৃত বিচারক দর্শক। তাদের এই সাপোর্ট আমাকে আগামী দিনেও কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।
শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
শাকিব খানের সঙ্গেই আমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তিনি প্রমাণিত একজন ভালো শিল্পী। অনেক বড় মাপের একজন নায়ক। আমার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই অভিনয় করতে হয়েছে। যদিও এটা খুব কঠিন একটি কাজ। শুটিংয়ের সময় শাকিব খানের কাছে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। এমন হয়েছে কোনও ডায়লগ হয়তো বুঝতে পারছি না তখন তিনি সহযোগিতা করছেন। শুধু সহশিল্পী নয়, শুটিং ইউনিটের কোনও সমস্যা বা অন্য বিষয়গুলোতেও তিনি সবাইকে সহযোগিতা করেন। এক কথায় অসাধারণ একজন শিল্পী তিনি।  
সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক হিসেবে শাকিব-বুবলীর রসায়নটা কেমন উপভোগ করলেন?
ভীষণ ভালো। তবে এক্ষেত্রে আমি নিজের কথা বলবো না, দর্শকের কথাই বলবো। আমাদের রোমান্টিক বা কিছু কমেডি দৃশ্যও ছিল। সবখানেই দর্শকের প্রচুর রেসপন্স পেয়েছি। আসলে এটা সামনা-সামনি না দেখলে বলে বোঝানোটা কঠিন। দর্শকের এই ভালোবাসার কথা আমি কোনোদিন ভুলবো না।

ঢালিউডের অনেক নায়িকাই যৌথ প্রযোজনা ও কলকাতার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে। আপনার কী এমন কোনও পরিকল্পনা আছে?
কয়েক মাস আগেই আমি এমন একটি কাজের অফার পেয়েছিলাম। সেটা টালিউডের ছবিই ছিল। কিন্তু তখন আমার অন্য একটি ছবি ‘সুপারহিরো’র শুটিং চলছিল। ফলে কাজটি আর করা হয়ে উঠেনি। সামনে যদি ভালো কোনও গল্প পাই তাহলে হয়তো কাজ করবো।
সেই ছবিতেও কী শাকিব খানই নায়ক থাকবেন?
(হাসি)... একটা জুটির কয়েকটি ছবি যখন হিট হয় তখন নির্মাতা-প্রযোজকরা কিন্তু তাদের নিয়েই চলচ্চিত্র করে থাকেন। আমার হয়তো অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করা হয়নি। তবে শাকিব খান তো সবার সঙ্গেই কাজ করেছেন। এদেশের বিদ্যা সিনহা মিম, ইয়ামিন হক ববি, নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে কাজ করেছেন। আরও নতুন নতুন অনেক নায়িকার সঙ্গেই কাজ করছেন। কলকাতায় শ্রাবন্তী, শুভশ্রী, নুসরাত জাহান, সায়ন্তিকা, পায়েল সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। আমি সব সময়ই একটা কথাই বলেছি ভালো গল্প, নির্মাতা হলে আমি অন্য নায়কের সঙ্গেও কাজ করবো। হয়তো একই কথা বারবার হয়ে যাচ্ছে। ভাবছি এখন থেকে বলবো কথাটি সময়ই বলে দেবে (হাসি)।      
আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
শতভাগ হতেই হবে এমন কোনও পরিকল্পনা আমি করি না। তবে রাফ একটা পরিকল্পনা তো আছেই। আর সেটা হলো মানসম্মত কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই। সিনেমার প্রাণ হলো গল্প ও নির্মাতা। আমাদের দেশে অনেক গুণী নির্মাতা রয়েছেন। নতুনদের মধ্যেও অনেকে আসছেন। যদি ভালো গল্প হয়। আর একজন ভালো নির্মাতা সেই গল্পের ছবিটি নির্মাণ করেন তাহলে ছবি ভালো হবেই। আমি চাই ভালো গল্পের ছবিতে কাজ করতে।






বিনোদন কার্তিকের সঙ্গে ছবি ভাইরাল, নতুন বিতর্কে শ্রদ্ধা!

বিনোদন কার্তিকের সঙ্গে ছবি ভাইরাল, নতুন বিতর্কে শ্রদ্ধা!

কিছুদিন আগেই দিওয়ালি উৎসবে দেখা গেলো শ্রদ্ধা কাপুরের প্রেমিককে। অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল তিনি নতুন সম্পর্কে আছেন। তবে সেই প্রেমিককে অবশেষে দেখা গেলো। সেই গুঞ্জন শেষ না হতেই আবারো নতুন সম্পর্ক নিয়ে শিরোনাম হলেন শ্রদ্ধা। রোহন-শ্রদ্ধার সম্পর্কের সেই গুঞ্জন শেষ হতে না হতেই এবার ফের কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে শ্রদ্ধা কী করছেন মাঝরাতে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
অভিনেতা কার্তিক আরিয়ার সঙ্গে মাঝরাতে কোথায় বেরিয়ে পড়লেন শ্রদ্ধা কাপুর মুম্বাইয়ের একটি মাল্টিপ্লেক্সের সামনে দেখা যায় তাদের। শ্রদ্ধা এবং কার্তিকের ওই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ফের একদফা জল্পনা শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলে।
‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ অভিনেতা কার্তিকের সঙ্গে মাঝরাতে কী করছেন শ্রদ্ধা! সেই খবর প্রকাশ হতেই বিতর্কে মুখে পড়েছেন তিনি। মাঝরাতে ‘মুভি ডেটে’ বেরিয়ে কার্তিক এবং শ্রদ্ধা, দুজনকে বেশ ঝলমলে লাগছিল। কিন্তু, এই বিষয়ে দুজনের কেউই এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি।
পরিচালক দিনেশ ভিজন-এর সিনেমায় শিগগিরই স্ক্রিন শেয়ার করবেন শ্রদ্ধা কাপুর এবং কার্তিক আরিয়ান। একসঙ্গে শুটিং শুরুর আগে নিজেদের মধ্যে আলাপ পরিচয় বাড়াতেই কি শ্রদ্ধা এবং কার্তিক একসঙ্গে বেরিয়ে পড়েন, না কি বলিউডে তৈরি হচ্ছে আরও এক নতুন তারকা জুটি। সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ