Showing posts with label শিল্প সাহিত্য. Show all posts
Showing posts with label শিল্প সাহিত্য. Show all posts

ইত্যাদি’র শুটিংয়ের খবরে উৎফুল্ল সুনামগঞ্জ

ইত্যাদি’র শুটিংয়ের খবরে উৎফুল্ল সুনামগঞ্জ


দেশের উত্তর পূবর্ দিগন্তের সুনামগঞ্জ জেলার উত্তরে মেঘালয় পাহাড় ঘেঁষা আর স্বচ্ছ নীল জলের লম্বাটে শহিদ সিরাজ লেকে ইত্যাদির দৃশ্যায়ন হবে আজ সোমবার। সেই লক্ষ্যেই ইত্যাদির কতৃর্পক্ষ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শহীদ সিরাজ লেকের উত্তরে সবুজ ছোট টিলার পাশেই হাওর। পশ্চিমে টেকেরঘাট খনিজ প্রকল্পের পরিত্যক্ত দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও ক্যাম্পাস এবং পূবের্ বাংলাদেশ ও ভারত জিরো পয়েন্ট বড়ছড়া এলাকা। প্রকৃতি সুন্দর এমন একটি স্থানেই বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির দৃষ্টিনন্দন সেট তৈরি করেছেন ফাগুন অডিও ভিশনের কণর্ধার বিখ্যাত উপস্থাপক হানিফ সংকেত। তারা এমন একটি দৃষ্টিনন্দন স্থান বাছাইয়ের জন্য ইত্যাদি টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এদিকে এই খবরে উৎফুল্ল তাহিরপুর উপজেলাসহ গোটা সুনামগঞ্জ জেলার সবর্স্তরের মানুষ। এ উপলক্ষে বিশেষ সাড়া পড়েছে জেলাজুড়ে। জানা গেছে, গত বছর থেকেই ইত্যাদি টিমের সহকারীরা সুনামগঞ্জের গণমাধ্যমের কয়েকজন প্রতিনিধির সহযোগিতা নেন স্থান নিধার্রণের। তখন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক শামস শামীমসহ কয়েকজন গণমাধ্যমকমীর্ শহিদ সিরাজ লেকসহ কয়েকটি স্থানের নাম দেন। সংশ্লিষ্টরা সরেজমিন ঘুরে পবতীের্ত শহীদ সিরাজ লেককেই চূড়ান্ত করেন। 

তাহিরপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার পূণের্ন্দু দেব বলেন, প্রশাসনিক অনুমতি শেষে ইত্যাদি পরিচালনার জন্য শহিদ সিরাজ লেক চূড়ান্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আমরা তাদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্দি ধর জানান, ইত্যাদি অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছি।

হারিয়ে গেছি একদিন

হারিয়ে গেছি একদিন

কমলা কালো ডোরাকাটা মাঝারি একটা বল। বসার ঘরের দেয়ালে ছুড়ে দেয়া আর লুফে নেয়া এই হলো খেলা। মোটামুটি ঘোর লাগা খেলা ঘন্টা পার করে দেয়া যায়। যার ওই ঘোড় কোন দিন লাগেনি সে বুঝবে না। খেলা বন্ধের জন্য ২ বার মৃদু একবার সাবধান বাণী আর একবার গর্জন হয়ে গেছে। কে শোনে কার কথা। হঠাত বলটা ফসকে গেল। পরবি তো পর মালির ঘাড়ে। পর্সেলিনের লাফিং বুদ্ধ হাসতে হাসতে আমাকে ডুবিয়ে পরপারে চলে গেলেন। সেদিন, আমি একটা চড় খেয়েছিলাম দিদির হাতে। এমন ২/১টা চড় খাওয়া কিন্তু কোনো ব্যপার নয়। এমন না হলে বড় হবার ইচ্ছেটাই তো মরে যায়। আসল বিষয়টা ছিল ওই চড় খেয়ে অভিমানটা। ফুলে ফুলে কাঁদতে কাঁদতে মনে হয়েছিল বাড়ি ছেড়ে চলে যাব একা আর কোনদিন ফিরে আসব না। কল্পনার জগতে কত যে হিসেব কষা বাড়ি থেকে বের হয়ে কমলাপুর স্টেশন তার পর দূর কোন গ্রাম একা থাকব মাটির চুলোয় রান্না করে খাব। বৈষয়িক কোন ভাবনা বাদে নির্ভেজাল স্বপ্ন মন্থিত কল্পনা। তেমন করে আর বাড়ি পালান হয়নি কোনদিন।
ছোটবেলা খুব চিঠি লিখতাম বন্ধুদের কে। আমি একা না আমাদের সব বন্ধুরাই লিখত একে অপরকে। কেন লিখতাম জানি না হোমওয়ার্ক এর একটা বড় সময় নষ্ট হতো এই অকাজে। কোন কাজের কথা না যাবতীয় আজব অদ্ভুদ অলীক কথা ভর্তি চিঠি। এই চিঠিগুলো লিখতে আর পেতে কি পরিমান আনন্দ হতো সেটা মনে হয় কখনই ব্যাখ্যা করে বুঝানো যাবে না। বন্ধুরা সে সময় পৃথিবীর সব থেকে আপন ছিল হাঁ মনে হয় বাবা মা ভাই বোন থেকেও আপন। একসময় আমাদের চিঠি লেখা বন্ধ হল। একসময় জীবনের টানে সব থেকে আপন বন্ধুরা ছিটকে গেল এক এক দিকে। অভিমান, দুঃখ আর কত মিশ্র অনুভুতি এবং কি তীব্র সেই হারানোর কষ্ট। মনে হতো ধুর আমিও হারিয়ে যাবো একদিন।
তার পরে, ছোটবেলায় আমার খুব অদ্ভুত কিছু খেলা ছিল ভাঙ্গা ইটের টুকরো পাথরে ঘষে বিভিন্ন সুন্দর আকৃতি দেয়া। বিশেষ কিছু যে বানাতাম তা নয় কিন্তু ইটের মসৃন কিছু আকৃতি। আমি নিজেও ব্যাখ্যা দিতে পারব না কেন এত পরিতৃপ্তি হত। আমি বুঝি কিছুটা সময় নিজেকে একজন ভাস্কর ভেবে নিতাম। আমার কোনো পুতুল ছিল না। না একটাও না। আমি পুতুল খেলা বিষয়টা কোনো দিন বুঝি নি এখনো বুঝি না। আমার খেলা ছিল গাছের ডালে বসে থাকা।ঘুড়ি উড়ানোর চেষ্টা করা। স্কুলের গাছ থেকে পা ফস্কে পরে হাটু পা কেটে একাকার করেছি কত বার হিসেব নেই। এই পরিতৃপ্তি, না বুঝতে চাওয়ার উদাসীনতা, গাছে উঠা বা ঘুড়ি ওড়ানর সতন্ত্র চেষ্টা সবই ছিল খুব ভীষণ আর স্পষ্ট। সে সময় এত পরিতৃপ্তির মাঝেও অন্য রকম একটা না পাওয়া আর একটা অস্থিরতা কাজ করতো, সব ভেঙ্গে বেরিয়ে যাবার প্রবল আগ্রহ অধীর করে রাখতো।
ছোটবেলার সব অনুভুতিগুলোই ছিল তীব্র খুব সরল আর খাঁটি। একসময় বাড়ি ছেড়ে পালানোর সপ্ন দেখা আমি সত্যি সত্যি বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হলাম। পড়তে চলে গেলাম অনেক দূরে। সেই থেকে একটু একটু করে সব বদলানর পালা। প্রচণ্ড আবেগি আর বোকা বোকা রোম্যান্টিক একটা জীবন থেকে একেবারে বাস্তব আর রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পরা যেন। রাজকুমারীর জীবনের একটা অধ্যায় নিখুঁত হলে অন্যটি কষ্টের হতেই পারে। এই জীবনে সবই তো সমান ভাগ করে দেয়া। এক লহমায় বড় হয়ে যাওয়া
ধীরে ধীরে স্বাধীনতার নতুন স্বাদ। নতুন কিছু অনুভুতি। সেই যে ছেলেবেলায় একা হওয়ার সপ্ন তারই আনন্দ বার্তা যেন চারদিকে। নতুন শহর নতুন দেশ যেন নতুন করে নিজেকে খুঁজে পাওয়া। একসময় কিছু নতুন মানুষের সাথে পরিচয়। বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব কি ঠিক বলা যায়? ছেলেবেলায় যে নিষ্পাপ স্বার্থহীন বন্ধুত্ব হয় বড় বেলায় তা ঠিক হয়ে ওঠে না। বড়বেলায় যা হয় সেটা চক্র বা সারকেল। কিছু সহমতের মানুষের একসাথে চলা মতের অমিল হলেই চক্র থেকে ছিটকে পরা। আবার একা হওয়া আবার নতুন কোন চক্র। এক সময় জীবনের নানা জটিলতা। অনেক অনেক দায়িত্ব। হাজার কাজের আর কর্তবের বোঝায় আশে পাশে হাজার মানুষের ভিড়ে কেমন করে যেন ঘুরে ফিরে সেই চক্র থেকে ছিটকে পরে একা হয়ে যাওয়া।
বাড়ি ছেড়ে পালানোর প্রবল ইচ্ছেটা বিধাতা এমনই ভাবে মেনে নিবেন বুঝিনি। সেই যে বের হয়ে এলাম আর সত্যি করে ফিরে যাওয়া হল না। এখনও বাড়ি ফিরি কিন্তু, বাড়ির মানুষ হয়ে আর ফেরা হয় না ফেরা হয় অতিথি হয়ে। সব থেকে ভাল থাকা, ভাল খাওয়া, ভাল আচার ভাল ব্যবহার সাজিয়ে অপেক্ষা করে বাড়ির মানুষ গুলো। যে বাড়িটা একান্ত নিজস্ব আমার সেই বাড়িটা আমার সামনে তার চোখ মোছেনা কখনই। তেমনি ভাবে আমিও না । সব কিছুতেই আনন্দ সুখের আনাগোনা আর ভালটুকু সবার সামনে তুলে ধরা। নিজের জীবনের ধুসর কালশিটে গুলো সযত্নে রঙ্গিন তুলির আচড় দিয়ে ঢেকে হাস্যজল মুখে ঘুরে বেড়ানো একসময় সেটাই জীবনের সত্যি হয়ে দাঁড়ায়। ছেলেবেলার সব অনুভুতির তিব্রতা যেমন অনেক বেশি ছিল। তার প্রকাশও ছিল প্রছন্দ। চেপে রাখার কোন বালাই ছিল না হাসি, কান্না, দুঃখ কষ্ট অভিমান সব যেন নির্দ্বিধায় প্রকাশ করে দেয়া যেতো। বড়বেলায় এসে অনুভুতি গুলো আরও অনেক বেশি তীব্র অনেক ধারালো শুধু প্রকাশ করা যায়না প্রকাশ করতে নেই। প্রকাশে ছোট হয়ে যেতে হয়। প্রকাশে রহস্য চলে যায়। প্রকাশে মানুষ খেল হয়ে পরে। ধীরে ধীরে একা হয়ে যাওয়া। লক্ষ মানুষের ভিড়ে নিজের সব থেকে সাজানো গোছানো মিথ্যেটাকে আঁকড়ে ধরে নিঃস্ব আর একা দাড়িয়ে থাকা এই বুঝি চরম সত্য এই বুঝি জীবন। তবুও জীবনের নিয়মেই জীবন চলুক তার মাঝে কখনো কোন সময় একফালি রোদ এসে হাঁসিয়ে দিয়ে যাক আর সেটাই কাম্য হোক।

বাংলাদেশে নির্মাণশিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকদের ঝুঁকি বেশি

বাংলাদেশে নির্মাণশিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকদের ঝুঁকি বেশি

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশে নির্মাণশিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে মনে করছে বেসরকারি সংস্থা সেফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি।বাংলাদেশে গত ছয় মাসে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় দু’শোরও বেশি শ্রমিক মারা গিয়েছে বলে ওই প্রতিষ্ঠানের জরিপে উঠে এসেছে।সেফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি নামের সংস্থাটি প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শ্রমিকদের মধ্যে ৭৬ জনই নির্মাণশিল্পের শ্রমিক।
সংস্থাটির ২০১৪ সালের জরিপে দেখা গেছে বছরের প্রথম ছয় মাসে ১২৯টি কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মোট ১৫৮ জন শ্রমিক নিহত হন। গতবছরেও তাদের জরিপে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিহত শ্রমিক ছিল নির্মাণ খাতেই।সেফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক সেকান্দার আলী মিনা বলেন, নির্মাণ খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু নির্মাণ কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি অবহেলার কারণেই এই শিল্পে হতাহতের সংখ্যা এতটা বেশি। তাছাড়া আইন মেনে করা হয়না বলে ঝুঁকিটা রয়ে যায়।ভূমি থেকে উপরে উঠে যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলোর সঠিক মাপ না নেয়ার কারণেও ঝুঁকিটা থাকে বলে জানান সেকান্দার আলী মিনা।
 
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড আছে যেখানে বলা হয়েছে কোন কাজটা কিভাবে করা হবে, কিন্তু আইনের প্রতি একধরনের অবহেলা থাকার কারণে হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটে।আলী আরও বলেন, তারা গবেষণা করে দেখেছেন বিল্ডিংকোড ও সেফটি কোড নিয়ে মালিকপক্ষ খুব একটা আগ্রহী থাকেনা কারণ তারা মনে করে খরচ বেড়ে যাবে, আর অন্যদিকে শ্রমিকরাও নিরাপত্তা বিষয়ে অবগত নয়।এ বিষয়ে সরকার থেকে সেফটি কোড পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সংস্থা থাকার কথা, কিন্তু সেটি এখনও গঠন করা হয়নি বলে জানালেন সেফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক সেকান্দার আলী মিনা।

ড্রিমবয় শাকিবের ড্রিমগার্ল জয়া

 ড্রিমবয় শাকিবের ড্রিমগার্ল জয়া

অসংখ্য যুবতীর ড্রিমবয় শাকিব খান, আর শাকিব খান জানালেন তার ড্রিমগার্ল জয়া আহসান, মাছরাঙার ঈদের বিশেষ টিভি প্রোগ্রামে এসে এমনটাই জানালেন শাকিব খান নিজেই, সাথে ছিলেন জয়াও,
গতকাল সোমবার রাতে মাছরাঙা
টেলিভিশনের স্টুডিওতে অনুষ্ঠানটির
দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়। মুনমুনের
উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটির নাম
‘কেমিস্ট্রি’। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
এবারের ঈদে একসঙ্গে ছোট পর্দায়
হাজির হতে যাচ্ছেন শাকিব খান ও
জয়া আহসান।
শাকিব খান ও জয়া আহসান একসঙ্গে
প্রথম অভিনয় করেন ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম
কাহিনি’ ছবিতে। কোরবানির ঈদে
মুক্তি পাবে এই জুটির নতুন চলচ্চিত্র
‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি টু’। দর্শক-
প্রদর্শক-নির্মাতাদের পছন্দের কারণে
তাঁরা আরও প্রায় অর্ধ ডজন ছবিতে
কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছেন বলেও
আড্ডার ছলে জানালেন শাকিব-জয়া।
রুম্মান রশীদ খানের গ্রন্থনা ও সাইফুল
ইসলামের প্রযোজনায় কেমিস্ট্রি
মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারি

এক নজরে মিশা সওদাগর

এক নজরে মিশা সওদাগর

মিশা সওদাগর একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি
প্রথম দিকে নায়ক চরিত্র অভিনয় করলেও
পরবর্তিতে খলনায়ক হিসেবে প্রচুর সুনাম
অর্জন করেন। তিনি চার শতাধিক সিনেমাতে
অভিনয় করেছেন।
চলচ্চিত্রে আগমন
অভিনয় জীবনের শুরু ১৯৮৬ সালে।
প্রথমে ‘চেতনা’,ও ‘অমরসঙ্গী’ ছবি
দুটোতে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন।
তখন গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছেন মাত্র।
নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে গ্রহণযোগ্যতা না
পেয়ে কয়েকজন খ্যাতিমান পরিচালকের
পরামর্শে ইয়াং ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় শুরু
করেন। ১৯৯৪ সালে ‘যাচ্ছে ভালবাসা’ নামক
ছবিতে প্রথম ভিলেনের চরিত্রে অভিনয়
করেন।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
মিশা সওদাগর চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয়
করেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
হলো
→চেতনা
→শেষ ঠিকানা
→শেষ চিঠি
→আন্ধ বিশ্বাস
→ফুল নেব না অশ্রু নেব
→ও প্রিয়া তুমি কোথায়
→বিয়ের ফুল
→হট লাইন
→ঢাকাইয়া মাস্তান
→অল্প স্বল্প প্রেমের গল্প
→এক টাকার বউ
→কোটি টাকার কাবিন
→কোটি টাকার প্রেম
পুরস্কার ও সম্মাননা
মিশা সওদাগর মেরিল প্রথম আলো ও
চলচ্চিত্র শিল্প সমিতি পুরস্কার সহ অসংখ্য
পুরস্কার, সম্মাননা পেয়েছেন।