Showing posts with label সর্বশেষ. Show all posts
Showing posts with label সর্বশেষ. Show all posts

প্রাণ বাঁচাতে ভবন থেকে লাফ, জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে আকুতি

প্রাণ বাঁচাতে ভবন থেকে লাফ, জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে আকুতি

বানানীর এফআর ভবনে লাগা আগুন থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজনকে লাফ দিতে দেখা গেছে। এ সময় অনেককে জানালা দিয়েও হাত বাড়িয়ে উদ্ধারের আকুতি জানাতে দেখা যায়। 
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে একটার দিকে বনানীর ২২ তলা ভবনটি ভয়াবহ আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে। 
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন লাগার খবর পেয়েই আগুন নেভানোর কর্মীরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা ২টা নাগাদ ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে যাচ্ছিল।
এদিকে আগুন থেকে বাঁচতে কয়েক ব্যক্তিকে ভবনটির বিভিন্ন তলা থেকে বের হতে দেখা যায়। উপায় না দেখে পরে কয়েকজন লাফ দেন। নিচে পড়ে যাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করেন উপস্থিত লোকজন। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ছাড়া কয়েকজনকে ভবনের আশপাশে থাকা তার ধরে নিচে নামার চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে তাদের কেউ কেউ নিচে পড়ে যান। ভবনের ওপরে আকাশে হেলিকপ্টার টহল দিতে দেখা গেছে।
ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটিতে রেস্তোরাঁ আছে। আছে অফিস। আগুন লাগার সময় ভবনের ভেতরে অনেক লোকজন ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনের অষ্টম তলায় আগুন লেগেছে বলে তারা প্রথমে জানতে পারেন। পরে অন্য তলায়ও আগুন ছড়ায়। একপর্যায়ে পুরো ভবন আগুন ও আগুন থেকে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ফলে ঠিক কোন কোন তলায় আগুন ছড়িয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
ওই ভবনে কয়েকটি গার্মেন্ট বায়িং হাউজ এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের অফিস রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আসবে বিশ্ব একাদশ!

 স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আসবে বিশ্ব একাদশ!

গত বছর শ্রীলংকায় গিয়ে নিদাহাস ট্রফিতে খেলেছিল বাংলাদেশ; যে টুর্নামেন্ট আয়োজনের নেপথ্যে ছিল শ্রীলংকার স্বাধীনতার ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন। ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ আগামী ২০২১ সালে পূর্ণ করতে যাচ্ছে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী। বছরটিকে স্মরণীয় করে বরণ করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও চাচ্ছে তেমনই একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে।
এ ছাড়া ২০২০ সালে যেহেতু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীও আছে, তাই ক্রিকেট আয়োজনকে বিশেষ রূপ দিতে সম্ভব হলে বিশ্ব একাদশকে আনার ভাবনা বিসিবির।
মঙ্গলবার বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে উপলক্ষ করে এখন থেকে আমরা একটা পরিকল্পনা করছি। এ নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এমন একটা কিছু করতে চাচ্ছি, যেটা সারা পৃথিবীর যারা ক্রিকেট দেখে, তারা যেন একসঙ্গে বসে দেখতে চায়। তবে এটা খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। এখনও কারও সঙ্গে আলাপ হয়নি।'
তিন বা তার বেশিসংখ্যক দেশ নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গেলে সময় বের করা হবে জটিল কাজ। কারণ আইসিসির এফটিপিতে সবগুলো দেশেরই সারা বছরের সিডিউল হয়ে গেছে। দেশগুলোর সময় বের করা সম্ভব না হলেও বিকল্প উপায় হতে পারে বিশ্ব একাদশ এনে বিশেষ কোনো ম্যাচ বা তিন ম্যাচের সিরিজ খেলা।
বিসিবি প্রধানের ভাবনায় আছে এটিও, 'বিশ্ব একাদশ বনাম বাংলাদেশ একাদশ... এ ধরনের কিছুই। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সূচির ওপর। সব দেশকে পাওয়া খুব কঠিন। এ জন্য সব থেকে বেশি খেলোয়াড় বিভিন্ন দেশ থেকে এনে একটা প্রতিনিধিত্বমূলক ম্যাচ খেলা পাশাপাশি আইসিসি থেকে ওটার স্বীকৃতি পাওয়া। এ নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা আইসিসিকে লিখেছি।'

লাখো শহীদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বলন

লাখো শহীদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বলন

২৫ মার্চ কালরাত্রিতে বর্বর পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদদের স্মরণে বগুড়ায় আয়োজন করা হয়েছিল ব্যতিক্রমী আলোক প্রজ্বলন। ‘লাখো শহীদের স্মরণে লাখো প্রদীপ জ্বালো’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা শহর ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের হাজারো জনতা অংশ নেয়।
বগুড়া জেলা পুলিশ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জেলার পেশাজীবী ও শ্রমজীবী সংগঠন যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় নির্ধারিত ভেন্যুতে উপস্থিত হন সবাই। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১০ মিনিট মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। শহরের মূল ভেন্যু ছিলো আলতাফুন নেছা খেলার মাঠ। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান।
বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ। শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাড়াও বগুড়া জিলা স্কুল মাঠ, সদর উপজেলা চত্বর, টিএমএসএস, শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলা চত্বর, ধুনট এনইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, গাবতলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, সারিয়াকান্দি পাবলিক মাঠ, শিবগঞ্জ গোল চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভ, শেখ সোনাতলা শেখ রাসেল স্টেডিয়াম, দুপচাঁচিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, আদমদিঘী আইপিজে স্কুল মাঠ, নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠ, কাহালু মডেল স্কুল মাঠসহ ১৪টি ভেন্যুতে একসঙ্গে লাখো প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।
পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, ১ লাখ ৩০ হাজার মোমবাতি বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, পরিবহন মালিক শ্রমিক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এদিকে একই সময় শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের গোল চত্বরের মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভে থানা পুলিশ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে লাখো শহীদের স্মরণে হাজারো জনতার অংশগ্রহণে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর কবির। এতে বক্তব্য দেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ সার্কেল) মশিউর রহমান মন্ডল, নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু, পৌর মেয়র তৌহিদুর রহমান মানিক, শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক প্রমুখ।

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১ পিচ্ ইয়াবা উদ্ধার

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১ পিচ্ ইয়াবা উদ্ধার

বগুড়ায় উপশহর পুলিশ ফাঁড়ীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫১( একান্ন) পিচ্ ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামী মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শাহানাজ@ রুনু( ৫০)স্বামী মোঃআতাউর রহমান@ হারেজ@ সাত্তার সাং ফুলবাড়ী দক্ষীন পাড়া থানা ও জেলা বগুড়া গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে নিহতদের স্মরণে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী,তাদের পরিবার এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে মোমবাতি জ্বালিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিন করে গণহত্যা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ রাতে ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় আসে।
২৫ মার্চের গণহত্যাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বগুড়া জেলা বাসি।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে  ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বগুড়া জেলা বাসি।

বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে লাখো শহীদ স্মরণে 
লাখো প্রদীপ জ্বালো অনুষ্ঠানে হাজার হাজার জনগন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি সম্মান জানায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল আইজি মোখলেছুর রহমান বিপিএম বার




স্বাধীন বাংলাদেশে শুয়ে আছে রক্তের উপরে। শুধুমাত্র সামান্য ক’টি মানুষের রক্ত নয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত নদীর ধারার উপরে। তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের উৎসর্গ পাত্রটি হৃদয়ে ধারণ করে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এর আগে আর কখনো এতো রক্তের নির্গমন দেখেনি। মানবিক ও লৌকিক বাস্তবতার এতো ত্যাগ খুব কম দেশই স্বাধীনতার জন্য বিসর্জন দিতে পেরেছে। বাংলাদেশতাই হয়ে উঠেছে মুক্তিকামী মানুষের এক বিস্ময়কর রক্তরঞ্জিত প্রত্নশক্তি। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ গড়ে তুলেছিল এই শাশ্বত সৃষ্টি, এই অমর কীর্তি। অর্জিত সে কীর্তির উপর আজ বসবাস করছে পনেরো কোটি স্বাধীন বাঙালি। সর্বসুবিধা ভোগ করছে একটি স্বাধীন দেশের। নেতানেত্রী বনে যাওয়ার, মন্ত্রী, আমলা, ডাক্তার, ব্যবসায়ী প্রকৌশলী বনে যাওয়ার অফুরন্ত সুযোগ ভোগ করছে।একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রে কাজ করার সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। একাত্তরের বাঙালি রুখে দাঁড়াতে না পারলে, এতো ত্যাগ বিসর্জন না হলে, বাঙালিদের চিরকাল পাকিস্তানি উপনিবেশিক শেকলে বন্দী থেকে ভৃত্যের মতো বসবাস করতে হতো। মুক্তিযুদ্ধের এই ত্যাগকে আজ যারা হেয় প্রচার করছে, তারাই এই রাষ্ট্রের সর্বসুবিধা ভোগের আয়াসে চেটেপুটে খাচ্ছে।পাকিস্তানিদের পদলেহনকারী এই নির্লজ্জ দালালরা লক্ষ লক্ষ বাঙালির আত্মোৎসর্গকে হাজার মানুষের হত্যাকান্ড হিসেবে কটুক্তি করে থাকে। স্বাধীনতাকে খাটো করে দেখার এই প্রবৃত্তি জন্ম নেয় একধরনের হীনমন্যতা বোধ থেকে। পাকিস্স্তানিদের দালালি করার অবৈধ ও অশ্লীল সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হওয়ার অপমান বোধ থেকে তারা এই নেতিবাচক প্রচার প্রচারণা চালাতে তৃপ্তি বোধ করে। মুষ্টিমেয় সংখ্যালঘিষ্ট এই তাহজীব তমুদ্দুনজীবী গোষ্ঠী এ ধরনের নিন্দাবাদের স্রষ্টা ও প্রচারক। যুদ্ধাপরাধ সেসময় এরাই ঘটিয়েছিল। বুদ্ধিজীবি হত্যা, ধর্মের নামে নারকীয় অত্যাচার উৎপীড়ন, খুন, জখম, রাহাজানি, ধর্ষন প্রভৃতি নারকীয় দুঃশাসনিক কর্মকান্ড এদের মাধ্যমেই বিকাশ ঘটেছিল উপনিবেশিক শাসকের নির্দেশে বা ছায়ায়। এরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়টিকেএতকাল পরে এদেশের মানুষকে বিভক্ত করার কৌশল হিসেবে প্রচার করে। যুদ্ধাপরাধ নিয়ে এদের মস্তিষ্ক প্রসূত উদ্ভাবনা যে শুধু বিকৃত চিন্তার ফসল তা কিন্তু নয়। এটা হচ্ছে অপরাধকে আড়াল করার এক ধরনের অপকৌশল। কেননা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিজেদের কৃতকর্ম তাদের আতঙ্কিত করে তুলছে। এদেশের মানুষের এই নবজাগরণ তাদের এতটাই ভীত করে তুলেছে যে,পূর্বকৃত্যের ভুলের মাশুল গোপন করার জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। সমাজ ও ইতিহাস সচেতন মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে বিভ্রান্ত করে তোলার জন্য তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।